বুধবার, ৩ই জুন ২০২৬, ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ৩ই জুন ২০২৬, ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু ধর্ষণের পর শিশু হত্যা: কাঠগড়ায় সোহেল দম্পতি চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং কোরবানির মৌসুমে সরকারি দামের অকার্যকারিতা ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তর করলেও বহাল থাকবে ইরানের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঈদের সকালে মায়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ২ শিশুর ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলায় বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে তীব্র ঊর্ধ্বগতি মার্কিন হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন তেল ট্যাংকারে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা ইরানে নতুন মার্কিন হামলা ও বন্দর আব্বাসে তীব্র বিস্ফোরণ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হাসপাতালে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশেই প্রাণহানি, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু

কলাম

হাবিব হত্যার জন্য দায়ী কে?

মনিরুজ্জামান

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাবিব হত্যার জন্য দায়ী কে?
ছবি: সংগৃহীত

‘তোমার অট্টালিকা
কার খুনে রাঙা?-ঠুলি খুলে দেখ,
প্রতি ইটে আছে লেখা।’

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু একবার আজাদ হিন্দ ফৌজকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “যুদ্ধের সময় নজরুলের গান গাওয়া হবে, গান গাওয়া হবে জেলে যাওয়ার সময়ও।”
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের হিংসভাগ আসে কলকারখানাগুলো থেকে। শ্রমিকরা নিজের হাড় ভাঙ্গা খাটুনি খেটে মাস শেষে যে পয়সা পায় তা দিয়ে নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে দেশে বিশৃঙ্খলা অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। এমতাবস্থায় কারখানার মালিকরা শ্রমিকের পাওনা বেতন না দিয়ে উল্টো তাদেরকেই ছাঁটাই করে দিচ্ছে। পাওনা টাকার দাবিতে আন্দোলন করে রংপুরের নীলফামারিতে ইতোমধ্যেই সেনাবাহিনীর গুলিতে আটজন গুলিবিদ্ধসহ এগারোজন আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ হাবিবুর রহমান নামের একজন শ্রমিক মারা গেছে। নিজের পাওনা বেতনের দাবি জানিয়ে প্রাণ দিতে হয়; এটা কোন দেশের নীতি?

আমরা এরই মধ্যে ভুলে যাইনি বন্যায় কবলিত মানুষের জন্য দেওয়া টাকার তেলেসমাতিকাণ্ডের কথা। যে শিশুটি তার টিফিনের টাকাটা বন্যার্তদের দিয়েছিল সেই টাকা আজও সেই অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। যদি পৌঁছাতো তাহলে সংবাদপত্রের বড় বড় শিরোনামে এই ঘটনা রাষ্ট্র হয়ে যেতো। আমরা আরও ভুলিনি হান্নান মাসউদের চাঁদাকাণ্ডের কথা। তার কোনো বিচার আমরা পাইনি। যারা এখনো চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে তারা দিব্যি রাজভোগের আনন্দ আর আরাম আয়েশে দিন যাপন করছে। এদিকে শ্রমিকরা নিজের বেতন দাবি করে পথের মধ্যে তাজা রক্ত দিচ্ছে।

শ্রমিকরা নিজের শ্রম বিক্রি করে জীবন চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে যারা শ্রমিকের শ্রম ডাকাতি করে পুঁজির মালিক হচ্ছে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা নিয়ে নিজের গ্রামে আলিশান বাড়ি করছে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা। কিন্তু তারা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এদিকে যারা নিজের শ্রম বিক্রি করে শ্রমের মজুরি চায় তাদের ওপর চালানো হলো গুলি।  

কাদের ওপর গুলি বর্ষণ করা হয়েছে? যাদের শ্রমের তৈরি পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়। যাদের শ্রমের উপার্জিত অর্থ দেশ উন্নয়নের মুখ দেখে; তাদের ওপর গুলিবর্ষণ! এমন নিষ্ঠুর নির্দয় হীন নীতি বুঝি পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তারা যদি নিজেদের পাওনা বেতনের জন্য আন্দোলন করে কোনো অন্যায় করে থাকে তাহলে তাদের গ্রেপ্তার করা যেতো। কিন্তু তা না করে চালনো হলো গুলি। একজন নয় এতে ৮ জন শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা গেছেন। মারা যাওয়ার সংখ্যা বড় কথা নয়। নিরস্ত্র শ্রমিকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে এটাই বড় অন্যায়।

চাঁদা, ঘুষ, দুর্নীতি করে টাকা উপার্জনের জ্ঞান হয়তো তোমাদের অনেক আছে; কিন্তু আমাদের আছে আত্মসম্মান বোধ। আমরা পরের টাকায় বড় লোক গিরি দেখাই না। অপরের পয়সায় নামকরা হোটেলে গিয়ে রাজভোগ ভক্ষণ করি না। আমরা আমাদের নিজের শ্রম-ঘামের উপার্জিত পয়সা দিয়েই জীবন চালাই। তোমাদের হয়তো আত্মসম্মানবোধ না থাকতে পারে কিন্তু আমাদের আছে।

তোমাদের একজনের ওপর আঘাত করলে আমাদের ৮ জনের ওপর গুলি করবে এটা কেমনতর কথা? যাদের মনুষ্যত্ববোধ আছে তারা এমন অন্যায় সহ্য করতে পারে না। দেশে এতো এতো কলকারখানা ধ্বংস করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী কেন এগুলো রক্ষা করতে পারলো না? কে বা কারা এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তার কোনো বিচার নাই। উল্টো নিজের পাওনা বেতনের জন্য রাস্তায় নেমে দিতে হলো তাজা প্রাণ। যে লোক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলো তার পরিবারকে এখন কে দেখবে? যারা সেনাবাহিনীর গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালের বিছানায় পড়ে কাতরাচ্ছে তাদের সংসার কে চালাবে? সর্বাগ্রে মানুষ তারপর রাষ্ট্র। রাষ্ট্রনীতির কোন সংজ্ঞায় আছে নিজের পাওনা বেতনের দাবিতে আন্দোলন করলে তাকে গুলি করে হত্যা করতে হবে? কোনো বর্বরের নীতি ছাড়া এমন বর্বরোচিত কথা কেউ বলবে না। রাষ্ট্রের জনগণ নিজেদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে নির্বাচিত করে থাকে। কিন্তু সেই রাষ্ট্রপ্রধান যখন জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা ভুলে নিজের আখের গুছানোর কাজে মনোনিবেশ করে তখন তাকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকে না।

এবার সময় এসেছে প্রতিবাদ করার। জাগো শ্রমিক! স্বাধীন কণ্ঠে চিৎকার করে বলো আর অন্যায়-অত্যাচার সহ্য করবো না। আমাদের শ্রমের-ঘামের বিনিময়ে তোমরা অট্টালিকায় দিবস-জামি আয়েশ করবে; তা আর হবে না। এতোদিন তোমাদের অত্যাচার সহ্য করতে করতে এবার আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এবার আমাদের সময় এসেছে তোমাদের ভণ্ডামির ইমারত ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়ার। আমাদের ফাঁকি দিয়ে অত্যল্পকালে টাকার যে পাহাড় গড়েছো তা এবার ধ্বংস করে দেবো। জাগো শ্রমিক বলো এবার আমাদের সময় এসেছে সবকিছু গুড়িয়ে দিয়ে নতুন করে দেশ গড়ার।

দেশের মানুষকে ফাঁকি দিয়ে মিথ্যার উপরে তোমরা আর কয়দিন দাঁড়িয়ে থাকবে? বিবেকবোধসম্পন্ন কোন মানুষই এই অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন, হঠকারিতা মেনে নেবে না। হয়তো তোমাদের হত্যা মামলার আইন আছে। বন্দুকের গুলি আছে। কিন্তু আমাদের তরুণ-শ্রমিকদের আছে তাজা প্রাণ। আজ হয়তো নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আমাদের ভাইদের হত্যা করছো। তাদেরকে আহত করছো। মিথ্যা আর ভণ্ডামির উপর দাঁড়িয়ে নিজেকে হয়তো একটা কিছু মনে করছো। ভাবছো অতীতের প্রতিশোধ নিচ্ছ। কিন্তু না চিরকালই সত্যের জয় হয়। তোমাদের ভেলকিবাজিতে আজ হয়তো পার পেয়ে যাচ্ছ; কিন্তু এই ভণ্ডামি করে আর কয়দিন ঠিকে থাকবে? এবার আমাদের হুঁশ ফিরেছে। আফিম খাইয়িয়ে আমাদের অচেতন করে আমাদেরই ওপর অত্যাচারের খর্গ চালাবে; এ আর হবে না। এবার আমাদের আফিমের নেশা কেটেছে। জাগো তরুণ! বলো এবার আমাদের সময় এসেছে।

স্বাধীন দেশে পরাধীনতার নীতি এ-কি কস্মিনকালেও কেউ দেখেছে বা শুনেছে? কিন্তু তোমরা তাই করছে। স্বাধীন দেশে পরাধীনতার নীতি চালু করেছো। পশুর মতো এমন নির্বুদ্ধিতার জন্য কি তোমাদের লজ্জা করে না? সংস্কারের নামে তোমরা চালিয়েছো অত্যাচারের রুলার, মব সন্ত্রাস। এমন হীন কাজের জন্য কি তোমাদের বিবেক তোমাদের দংশন করে না? তোমাদের তো বিবেকই নেই তাই দংশন করবে কিসে? বিবেকের দংশন সইতে পারি না বলেই এই লেখা। তোমাদের যদি বিবেক থাকতো তাহলে পশুর মতো মব সন্ত্রাসকে সমর্থন করতে পারতে না। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি চিরকাল সত্যেরই জয় হয়। জাগো শ্রমিক বলো এবার আমাদের সময় এসেছে।

‘আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!’

 

লেখক, সহ-সম্পাদক, খবরওয়ালা।