হাসান জামিল
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫
তোমাকে অবিশ্বাস করি
মাহুত বন্ধুর মতো তোমাকে অবিশ্বাস করি গেলে কী আর আসিবে
অরণ্য পাতা মাড়িয়ে বুক মর্মর স্বভাব চলার মতন বৃদ্ধ বনস্থালি
জেল থেকে লেখা চিঠির ইশারা খুঁজেও পাই না চলে যাওয়া পায়ে
বকুল আচ্ছা, বকুল কখন ফোটে?
কামনাই কি কামিনী?
ফুলের গন্ধ পড়ে আছে
তুমি তো সাধারণ চিরুনিতে চুল জমায়ে রাখব?
দাগ মুছে যায় চুমুর, স্মৃতির?
স্মৃতি সন্দেহের মতোই ভোগাবে
তোমাকে অবিশ্বাস করি
গেলে কি আর আসিবে?
আমি
অনেক বদনাম কামিয়েছি রোজ
জটা লাগা সন্ন্যাসীয় যৌন পতনের
মতন, আমিও ঘুমিয়েছি অস্থানে
শুঁড়িখানায় বমির নহর থেকে আমাকে
উদ্ধার করেছে আমার পাপসঙ্গী ভাই
হেঁট মাথার অভদ্দরপল্লি থেকে
আমাকে বেরিয়ে আসতে দেখেন সাধু জেঠু
আমার শার্টের পকেটেই উপচে পড়েছে
সকলের বিশ্বস্ত ইকোনো ডিএক্স
অবিশ্বস্ত স্বামীর সব অলংকার গলে পড়ে
পরিপূর্ণ ব্যর্থ প্রেমিকের ঘোরলাগা পথে
হাঁটতে হাঁটতে হারিয়ে গেছি বনে
যেখানে কোথা থেকে যেন এক ঠান্ডা
শিবলিঙ্গ—জনমানব নেই, তার পাশে
তাজা ফুল, গড়িয়ে যাওয়া পানি—
হ্যাঁ, হঠাৎ তার পাশেই আমি, তুমিও হায়!
ঠা ঠা পাখিদের করতালির ভেতর উঠে এসছি
উলঙ্গ অবলম্বহীন অবোধ আবোলতাবোল
সন্ন্যাসীর যৌন পতনের মতন
এই যে তোমাদের সামনে—আমি!