খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে এক চমকপ্রদ জয়ের স্বাক্ষর রচনা করলো। চার বল বাকি থাকা অবস্থায় তারা ছয় উইকেটে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ম্যাচ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
এই জয়ের নায়ক ছিলেন দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা, যিনি ব্যাট ও বল উভয় বিভাগে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। ১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২৬ বল খেলতে খেলতে তিনি ৪৫ রান সংগ্রহ করেন। এই ইনিংসে তিনি হাঁকান দুইটি চার এবং চারটি ছক্কা। তাঁর স্ট্রাইক রেট দাঁড়ায় ১৭৩.০৮।
বল হাতে রাজা চার ওভারে ৩৬ রান দেন, কোনো উইকেট না পেলেও তিনি রান প্রতিহত করে দলের জন্য চাপ কমান। এই অসাধারণ অবদানের কারণে তিনি ম্যাচসেরার খেতাব অর্জন করেন।
রাজার এই পুরস্কারটি তার টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২০তম ম্যাচসেরা পুরস্কার, যা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। তিনি এই মাইলফলক অর্জন করে ভারতের সূর্যকুমার যাদবকে পেছনে ফেলে দেন। এ তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন বিরাট কোহলি, এবং সবার ওপরে রয়েছেন মালয়েশিয়ার বীরানদিপ সিং, যার ঝুলিতে আছে ২২টি ম্যাচসেরার খেতাব।
| স্থান | ক্রিকেটার | দেশ | ম্যাচসেরা সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ১ | বীরানদিপ সিং | মালয়েশিয়া | ২২ |
| ২ | সিকান্দার রাজা | জিম্বাবুয়ে | ২০ |
| ৩ | সূর্যকুমার যাদব | ভারত | ১৯ |
| ৪ | বিরাট কোহলি | ভারত | ১৮ |
রাজা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডও ভেঙেছেন। আইসিসি ইভেন্ট ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়সী অধিনায়ক হিসেবে ম্যাচসেরার খেতাব অর্জন তাঁর দখলে চলে আসে। এর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন ভারতের রোহিত শর্মা। বর্তমানে রাজা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী ম্যাচসেরা। সবার ওপরে রয়েছেন সনৎ জয়াসুরিয়া, যিনি ২০০৯ সালে এই কীর্তি গড়ে ৩৯ বছর বয়সে ম্যাচসেরা হন।
তালিকাভুক্ত অন্যান্য অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন শোয়েব মালিক, তিলকরত্নে দিলশান, ডেভিড ভিসা, যারা ৩৯ বছরের বেশি বয়সে ম্যাচসেরার খেতাব জিতেছেন। এই রেকর্ডের মাধ্যমে রাজা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত মাইলফলকই নয়, বরং জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসেও একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।