খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতা শওকত হোসেন সরকারকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার পরিচালনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক সুনামের কারণে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি এবং কাশিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পথচলা পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তিনি কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন সরকারের ছেলে।
শওকত হোসেন সরকারের পরিবারে দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় সরকারে নেতৃত্বের ইতিহাস রয়েছে। পরিবারে তিন প্রজন্ম ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
| প্রজন্ম | নাম | পদ | দায়িত্বকাল | এলাকা |
|---|---|---|---|---|
| দাদা | জবেদ আলী সরকার | চেয়ারম্যান | ১০ বছর | কাশিমপুর ইউপি |
| চাচা | সোহরাব উদ্দিন সরকার | চেয়ারম্যান | ১০ বছর | কাশিমপুর ইউপি |
| বাবা | গিয়াসউদ্দিন সরকার | চেয়ারম্যান | ~১০ বছর | কাশিমপুর ইউপি |
| নিজে | শওকত হোসেন সরকার | চেয়ারম্যান (২০০৩–সিটি করপোরেশন গঠন পর্যন্ত), বর্তমানে প্রশাসক | ২০০৩–2012 (চেয়ারম্যান), ২০২৬–বর্তমান (প্রশাসক) | কাশিমপুর/গাজীপুর সিটি |
শওকত হোসেন সরকার ২০০৩ সাল থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠনের আগ পর্যন্ত কাশিমপুর ইউপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পারিবারিক ঐতিহ্য এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে স্থানীয় প্রশাসনের দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, শওকত হোসেন সরকারকে প্রশাসকের দায়িত্বে বসানো হয়েছে মূলত নগর উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার কারণে। তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে:
চলমান উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি
নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ
প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নিয়মনীতি রক্ষা
স্থানীয় ব্যবসা ও নাগরিক অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা
শওকত হোসেন সরকার নিজেও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
এই নিয়োগের মাধ্যমে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে স্থানীয় সরকারের অভিজ্ঞ নেতৃত্বে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনগণমুখী হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে শওকত হোসেন সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ হবে শহরের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা, যাতে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়।