খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ৩ই মার্চ ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
চট্টগ্রামের হালিশহর থানার ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড় এলাকায় সোমবার রাত ১১টার দিকে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেনোয়ারা বেগম নামের এক নারীকে খুন করার পর তার ছোট ভাই জানে আলম বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। তবে এলাকার মানুষ তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
নিহত সেনোয়ারা বেগম ওই এলাকার সাবের আহমেদের স্ত্রী। হত্যাকারী জানে আলমও একই এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় শুধুমাত্র নিহত নারী ছিলেন। তার স্বামী এবং ছেলে মসজিদে তারাবিহ নামাজে গিয়েছিলেন।
ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, জানে আলম এসে বোনের স্বর্ণালংকার নিতে চেয়েছিলেন। সেনোয়ারা বাধা দেওয়ায় তিনি নৃশংসভাবে বোনকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর তিনি বোরকা পরিধান করে পালানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় মানুষজন তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে পুলিশকে হস্তান্তর করেন। পুলিশ জানায়, আটককালে কিছু মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনির চেষ্টা করেছিলেন।
নিহত নারীর ছেলে সেকান্দার হোসেন বলেন,
“আমার মা একা থাকায় তাকে খুন করে পালানোর চেষ্টা করছিল আমার মামা। তারাবিহের নামাজ শেষ করে ফিরে এসে দেখি স্থানীয়রা তাকে আটক করেছে।”
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী সুলতান মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং জানে আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| নিহতের নাম | সেনোয়ারা বেগম |
| নিহতের সম্পর্ক | সাবের আহমেদের স্ত্রী |
| অভিযুক্তের নাম | জানে আলম |
| অভিযুক্তের সম্পর্ক | নিহতের ছোট ভাই |
| ঘটনা স্থান | হালিশহর, ঈদগাহ বড় পুকুর দক্ষিণপাড়, চট্টগ্রাম |
| ঘটনা সময় | ১১:০০ পিএম, সোমবার |
| ধরার পদ্ধতি | স্থানীয় জনতা ধাওয়া দিয়ে আটক, পুলিশে হস্তান্তর |
| আইনগত ব্যবস্থা | হত্যা মামলা প্রস্তুত, গ্রেপ্তার দেখানো হবে |
| লাশের অবস্থান | চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা |
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ফলে এলাকার মানুষজন নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবিতে উদ্বিগ্ন। ঘটনাস্থল ঘিরে পুলিশ চক্রবৃদ্ধি ও তদন্ত চালাচ্ছে, যাতে অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুত এবং যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।