খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ ১৯৬ নম্বরের নিজের বাসাতেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের যাত্রা শেষে স্বাচ্ছন্দ্যের কারণে গুলশানের নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। “প্রধানমন্ত্রী গুলশানের ছোট এই বাসাতেই থাকবেন। বাসাটি তার ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখার জন্য সাজানো-গোছানো হয়েছে। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠবেন না,” রুমন বলেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, পবিত্র ঈদের দিন সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হবেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে প্রধান জামাতে অংশ নেবেন এবং নামাজ আদায় করবেন। নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
| সময় | স্থান | কার্যক্রম |
|---|---|---|
| ০৮:০০ বেজে সকাল | জাতীয় ঈদগাহ ময়দান | প্রধান জামাতে নামাজ আদায় |
| ১০:০০ বেজে সকাল | রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা | দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় |
সরকারি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কোনো সংকেত নয়। এটি ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তার কারণে গ্রহণ করা হয়েছে। গুলশানের বাসা তারেক রহমানের জন্য আরও আরামদায়ক ও পরিচিত পরিবেশ প্রদান করে। বাসাটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ঈদের সময় তিনি পরিবারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে থাকতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই পরিকল্পনা তার ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার একটি সূক্ষ্ম সমন্বয়। সকালে জাতীয় ঈদগাহে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায় এবং পরে যমুনা বাসভবনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় মিলিয়ে তার ঈদ উদযাপন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ব্যক্তিগত উভয় দিকেই গুরুত্বপূর্ণ।
এভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নাগরিকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যও নিশ্চিত করেছেন।