বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি জাতীয় দলের জন্য নতুন নির্বাচক প্যানেল ঘোষণা করেছে, যার প্রধান নির্বাচক হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। বিসিবি তাকে আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই দায়িত্বে নিয়োগ দিয়েছে। নতুন প্যানেলের গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মধ্যে সাকিব আল হাসানের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসান সম্প্রতি শেষ হওয়া পাকিস্তান সিরিজে দলের সঙ্গে ফিরবেন কি না তা নিয়ে অনেক গুঞ্জন ছিল। যদিও সে সিরিজে তার ফেরার খবর হয়নি, তবুও আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে তার জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা জোরালো বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, সাকিবকে শুধুমাত্র এক সিরিজের জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে দলবলে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
হাবিবুল বাশার বলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজে সাকিবকে আমরা বিবেচনায় রাখব কি না, সেটা সময়ই বলবে। আমরা এখনো জানি না সে কোন অবস্থায় আছে। যদি সাকিব দলে ফিরে, তবে সে অবশ্যই যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েই ফিরে আসবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা সাকিবকে আসলে লম্বা সময়ের জন্য পরিকল্পনায় রাখতে চাই। শুধু একটি সিরিজের জন্য নয়, তাকে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের অংশ হিসেবে রাখতে চাই।” এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, নতুন নির্বাচক প্যানেল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সাকিবকে কেন্দ্রীয় ভুমিকায় দেখতে চায়।
নতুন নির্বাচক প্যানেলের কাঠামো এবং দায়িত্ব সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত তথ্য
| বিষয় |
বিস্তারিত তথ্য |
| প্রধান নির্বাচক |
হাবিবুল বাশার সুমন |
| প্যানেল মেয়াদ |
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত |
| লক্ষ্য |
জাতীয় দলের স্থিতিশীলতা, মূল খেলোয়াড়দের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা |
| সাকিব আল হাসানের অবস্থা |
জাতীয় দলের বাইরে দীর্ঘসময়, নিউজিল্যান্ড সিরিজে সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন |
| প্রধান পরিকল্পনা |
সাকিবকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রাখা, দলীয় প্রস্তুতি এবং বিশ্বকাপ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্তি |
| সম্প্রতি সিরিজ |
পাকিস্তান সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলে ছিলেন না |
| নির্বাচক মন্তব্য |
সাকিবকে প্রতিটি সিরিজের জন্য প্রিপারেশনসহ বিবেচনায় রাখা হবে |
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাবিবুল বাশারের এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাকিব আল হাসান তার অভিজ্ঞতা, অলরাউন্ডার দক্ষতা এবং নেতৃত্বগত গুণের কারণে জাতীয় দলের জন্য অনন্য ভুমিকা রাখতে সক্ষম। দীর্ঘমেয়াদে তাকে ধরে রাখার এই উদ্যোগ নির্বাচক প্যানেলের স্থিতিশীলতা ও দলের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা আশা করছেন, সাকিবের জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ও তার দীর্ঘমেয়াদি অন্তর্ভুক্তি দলের পারফরম্যান্সকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে এবং আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলকে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় রাখবে।