খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ই এপ্রিল ২০২৬, ৭:৪৪ এএম
বাংলাদেশের প্রখ্যাত ও কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতের একটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করতে যাচ্ছেন। আগামী ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তাকে প্রদান করা হবে ‘মিনারে দিল্লি’ সম্মাননা। এই আন্তর্জাতিক আসরটি আগামী ৪ মে থেকে ৮ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
ভারতের চলচ্চিত্র ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা এই উৎসব আয়োজন করে থাকে। এবারের আসরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট শিল্পী ও নির্মাতাদের অংশগ্রহণ এই উৎসবকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
রুনা লায়লা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, মর্যাদাপূর্ণ এই সম্মাননা পাওয়ার আমন্ত্রণে তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, এই আয়োজনের অংশ হতে পারা তার জন্য গর্বের বিষয় এবং তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের অপেক্ষায় আছেন।
উৎসবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাম কিশোর পরচা এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে রুনা লায়লার দীর্ঘ সংগীতজীবনের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, রুনা লায়লার সুমধুর কণ্ঠ কয়েক দশক ধরে ভারত ও বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করেছে এবং দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে। তার মতে, এই সম্মাননা প্রদান কেবল একজন শিল্পীর স্বীকৃতি নয়, বরং দুই দেশের সাংস্কৃতিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক।
জানা গেছে, এবারের দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ভারতের নয়াদিল্লির দুটি প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। সেখানে নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক বিষয়ভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং শিশুদের জন্য নির্মিত চলচ্চিত্রকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি নারী নির্মাতাদের উৎসাহিত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
উৎসবে উপমহাদেশের বহু খ্যাতিমান শিল্পী ও নির্মাতা অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রেবতী, শ্বেতা মেনন, ঊষা উত্থুপ, রাজপাল যাদব এবং রঘুবীর যাদবসহ আরও অনেকে।
নিচে উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| উৎসবের নাম | দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব |
| আসর | ১৫তম সংস্করণ |
| সময় | ৪ মে থেকে ৮ মে |
| স্থান | নয়াদিল্লি, ভারত |
| বিশেষ সম্মাননা | মিনারে দিল্লি |
| সম্মাননাপ্রাপ্ত | রুনা লায়লা |
| মূল ফোকাস | নারী ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও শিশু বিষয়ক চলচ্চিত্র |
| উল্লেখযোগ্য অতিথি | শর্মিলা ঠাকুর, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, রেবতীসহ অনেকে |
এই সম্মাননা রুনা লায়লার দীর্ঘ সংগীতযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য