খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে ফাল্গুন ১৪৩১ | ৩ই মার্চ ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলেছেন, ‘আমরা মানুষকে স্বস্তিতে রাখার চেষ্টা করছি। সয়াবিন তেল ছাড়া দেশে অন্য কোনো পণ্যের সংকট নেই।’
রবিবার (২ মার্চ) সকালে রোজা উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেট পরিদর্শন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মোহাম্মদ আলীম আখতার খান বলেন, ‘সয়াবিন তেলের পাইকারি বা সরবরাহ পর্যায়ে কোনো ধরনের সংকট আছে কিনা সেটা জানার জন্য একটু সময় প্রয়োজন। আমরা একটা তদন্ত কমিটি করব। তদন্তের পর জানাতে পারব সংকট আছে কিনা। সয়াবিন তেল পর্যাপ্ত থাকলে মানুষ স্বস্তিতে থাকবে।’
ভোক্তার মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা কারওয়ান বাজারে খুচরা ও পাইকারি দোকানগুলো পরিদর্শন করলাম। দোকানিদের সঙ্গে আলাপ করে জানতে পারলাম, সয়াবিন তেল ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের সংকট নেই। গত বছরের তুলনায় দাম এ বছর কিছুটা কমতির দিকে। তাই দোকানিরা চাহিদা মেটাতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছেন। রমজানে অতিরিক্ত চাহিদা থাকে। স্বাভাবিকের তুলনায় এ মাসে চাহিদা বাড়ে।’
তিনি আরো বলেন, ‘একজনের নামে খুচরা দোকানি ২০ লিটার তেল লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। যিনি একসঙ্গে ২০ লিটার তেল কেনেন, তিনিও বাজারে সংকট তৈরির কারণ হতে পারেন।’
পাইকারি দোকানিদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, আগের তুলনায় সয়াবিন তেল কম পাচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তারা কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
তেলের সংকট সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, ‘মিলারদের কাছ থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে এবং বাজার তদারক করেও দেখা গেছে যে বাজারে পর্যাপ্ত তেল নেই। এ বিষয়ে এনবিআর, মিল মালিক ও পোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।’
তিনি লেবুর মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে বলেন, ‘লেবুর সরবরাহ কম থাকায় চাহিদার তুলনায় জোগান দিতে গিয়ে দাম বেড়েছে। একই পরিস্থিতি দেখা গেছে বেগুন ও শসার ক্ষেত্রেও।’
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজারে অভিযান পরিচালনা করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
খবরওয়ালা/জেআর