খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলতি মাসের বেতন-ভাতা আগামী ২৩ মার্চ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। রবিবার (১৫ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ নির্দেশনা দেয়। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী মার্চ মাসের বেতন ঈদের আগে পাচ্ছেন না।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের ছাড় করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা ও কারিগরি এই তিনটি অধিদপ্তর। তিনটি দপ্তরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষক-কর্মচারী স্কুল কলেজে, ৩ লাখ ৯৮ হাজার ১৩২ জন।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাহজাহান বলেন, ইএফটিতে বেতন দেওয়ার কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। সে কারণে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বেতন দিতে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদের আগে মার্চ মাসের বেতন দেওয়া সম্ভব হবে নয়। তবে ঈদ বোনাস ও ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন খুব শিগগির ছাড় করা হবে।
শিক্ষা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষকরা। শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া বলেন, চলতি মাসের বেতন সাতদিন আগে দেওয়ার সরকারের দারুণ সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে আমরা চরম ক্ষুব্ধ। এটা চরম বৈষম্য। একজন সরকারি কর্মচারী ঈদ করবেন আর বেসরকারি শিক্ষকরা কি ঈদ করবেন না? তাদের কি পরিবার নেই?
তিনি বলেন, এমনিতেই পূর্ণাঙ্গ ঈদ বোনাস পান না শিক্ষকরা। এর সঙ্গে দুই মাসের বেতন বকেয়া হয়ে গেছে। এই অবস্থায় একজন শিক্ষক কীভাবে ঈদ করবেন?
মাদ্রাসা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এইচ. এম. নূরুল ইসলাম বলেন, ঈদ বোনাস, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতনসহ তিনটি বিষয় একসঙ্গে হয়ে যাওয়ায় কাজে একটু চাপে পড়েছি। আমরা চেষ্টা করছি মার্চ মাসে বেতন দেওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত পারব কি না নিশ্চিত নই।
খবরওয়ালা/এমবি