খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
দেশীয় পর্যবেক্ষক নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত নীতিমালায় পর্যবেক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাসের সুপারিশ করা হচ্ছে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিবন্ধন পাওয়া সব দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে ইসির নিবন্ধনের জন্য সবাইকে আবার নতুন করে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুই দফায় মোট ৯৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় ইসি। প্রথম দফায় ৬৭টি এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯টি সংস্থা ইসির নিবন্ধন পায়। বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী, পর্যবেক্ষক সংস্থার মেয়াদ নিবন্ধন পাওয়ার দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। অর্থাৎ এই ৯৬টি সংস্থার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের শেষের দিকে।
পর্যবেক্ষক নীতিমালার সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংশোধিত পর্যবেক্ষক নীতিমালায় শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাস করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আগের পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
বিদ্যমান নীতিমালায় পর্যবেক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল বলেন, এটি কাউকে ছোট করার জন্য নয়। ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন একজন সম্মানিত ব্যক্তি, তাঁর মিনিমাম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ভালো হয়। সে জন্যই এটি করা।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন পাওয়া ৯৬টি দেশীয় সংস্থার মধ্যে ৮৪টি সংস্থার ২০ হাজার ৭৭৩ পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছিল ইসি। রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের পাশাপাশি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষক সংস্থারও নিবন্ধন প্রথা চালু করে ইসি। তখন প্রথমবার ১৩৮টি সংস্থা ইসির নিবন্ধন পায়। প্রথমে এসব সংস্থার মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হলেও পরে মেয়াদ বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়।
খবরওয়ালা/এমএজেড