খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
থাইল্যান্ডে পর্যটন ভিসার আবেদনকারীদের জন্য আবারও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দাখিলের নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে এই বিধান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও, চলতি বছরের মে মাস থেকে তা পুনরায় চালু করেছে থাই কর্তৃপক্ষ।
থাইল্যান্ডের সরকারি ই-ভিসা পোর্টালের বরাত দিয়ে দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ভিসার আবেদনকারীদের অন্তত ২০ হাজার থাই বাত (প্রায় ৫৫০ মার্কিন ডলার) আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। এই অর্থ ভ্রমণকালীন ব্যয়ভার বহন করার জন্য যথেষ্ট—এমন নিশ্চয়তা দিতেই এই নিয়ম।
আর্থিক প্রমাণ হিসেবে সর্বশেষ তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট গ্রহণযোগ্য। কেউ যদি ভ্রমণ ব্যয় বহনের জন্য স্পনসর গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে স্পনসরশিপ চিঠিও গ্রহণযোগ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, নরওয়ে ও অন্যান্য দেশের থাই দূতাবাসগুলো ইতোমধ্যেই এই নিয়ম কার্যকর করেছে।
আবশ্যক নথিপত্র
* কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য বৈধ পাসপোর্ট
* সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি
* বাসস্থানের প্রমাণ, যেমন ইউটিলিটি বিল বা ভাড়া চুক্তি
* যাওয়া-আসার টিকিট যা প্রবেশের এবং প্রস্থানের তারিখ নিশ্চিত করে
* আবাসনের বিবরণ, যেমন হোটেল বুকিং বা হোস্টের তথ্য
এই ভিসায় সাধারণত সর্বোচ্চ ৬০ দিন থাইল্যান্ডে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়।
বর্তমানে ৯৩টি দেশের পাসপোর্টধারীরা থাইল্যান্ডে ৬০ দিন পর্যন্ত ভিসা ছাড়া থাকতে পারেন। তবে, ভিসা অপব্যবহারের শঙ্কায় থাই সরকার এই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ দিন করার বিষয়ে ভাবছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পর্যালোচনায় রয়েছে এবং আগামী মাসগুলোতে নতুন আপডেট আসতে পারে।
যেসব পর্যটক ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা নিয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেন, তাঁদের জন্যও আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি প্রযোজ্য হতে পারে। যদিও সব ক্ষেত্রে এটি চাওয়া হয় না, তবে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা প্রবেশের সময় পর্যাপ্ত তহবিলের প্রমাণ দেখতে চাইলে, তা দেখাতে না পারলে প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
খবরওয়ালা/আরডি