খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় কয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে তিনজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতুর পূর্ব প্রান্তে বোয়ালখালী উপজেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিনজনের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন- উত্তর গোমদন্ডী ২নং ওয়ার্ড বাংলা পাড়ার মুহাম্মদ আবুল মনসুরের ছেলে মুহাম্মদ তুষার। আর আহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- আসিফ উদ্দিন বাপ্পি, আসমা আহমেদ ও আঞ্জু আরা। আহত পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে জানালিহাট স্টেশনের দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, সেতুর ওপর সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ছিল। সেখানে একটি গাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এ কারণে সব গাড়ি সেতু থেকে নামতে পারেনি। এসময় ট্রেনটি সজোরে গাড়িগুলোকে ধাক্কা দেয়। এতে শিশুসহ তিনজন নিহত হয়। আহত হন কয়েকজন। সবাইকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ট্রেনচালক সংকেত অমান্য করেছেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘নিয়ম হলো ট্রেন পূর্ব প্রান্তে এসে দাঁড়াবে। এরপর লাইনম্যানের সংকেত নিয়ে সেতুতে উঠবে। কিন্তু ট্রেনচালক এ নিয়ম না মেনে দ্রুতগতিতে সেতুতে উঠে যান। একই সময় উল্টো দিক থেকে গাড়ি আসছিল। এ কারণে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।’
চান্দগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন জানান, আহত কয়েকজনকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গুরুতর আহতও আছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান হোসেন জানান, লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করে ট্রেনটি দ্রুতগতিতে এসে বেশ কয়েকটি অটোরিকশা, মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। সব যানবাহন একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এসময় একটি শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে শুনেছি সে মারা গেছে।
এদিকে রাত আড়াইটার দিকে চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে জানানো হয়, দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিন জন নিহত হওয়ার তথ্য জানা গেছে।
খবরওয়ালা/এসআর