খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিগত ১৬ বছরের মধ্যে পাসের হার সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম। এমন অবস্থায় ফল পুনর্নিরীক্ষণে সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।
ঢাকা বোর্ডের তথ্যমতে, এবার বোর্ডটিতে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে ৯২ হাজার ৮৬৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের কেউ এক বিষয়ে, কেউ দুই বা ততোধিক বিষয়ে আবেদন করেছে। মোট ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৬৪টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছে তারা।
গত বছর ঢাকা বোর্ডে এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিল ৭১ হাজার ৩৪ জন। সেই হিসাবে এবার ২১ হাজার ৮২৯ জন শিক্ষার্থী বেশি আবেদন করেছে। খাতা চ্যালেঞ্জের সংখ্যাও গত বছরের চেয়ে এবার ৪০ হাজার ১২১টি বেড়েছে।
ঢাকা বোর্ডেও গণিতে বেশি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়েছে। এ বোর্ডে শুধু গণিতের খাতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জমা পড়েছে ৪২ হাজার ৯৩৬টি।
এছাড়া ইংরেজি খাতা চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জমা পড়েছে ১৯ হাজার ৬৮৮টি, পদার্থবিজ্ঞানে ১৬ হাজার ২৩৩টি, বাংলায় ১৩ হাজার ৫৫৮টি। অন্যান্য বিষয়গুলোতেও অনেকে আবেদন করেছে।
অনেকের ধারণা ফল পুনর্নিরীক্ষণে পুনরায় কোনো পরীক্ষক খাতা দেখেন এবং নম্বর দেন। এটি সঠিক নয়। পুনর্নিরীক্ষণে একজন শিক্ষার্থীর খাতা আবার মূল্যায়ন করা হয় না।
ঢাকা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা শিক্ষার্থীর উত্তরপত্রের চারটি দিক দেখা হয়। সেগুলো হলো- উত্তরপত্রের সব প্রশ্নের সঠিকভাবে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে ওঠানো হয়েছে কি না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট করা হয়েছে কি না। এ চার জায়গায় কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নতুন করে ফল প্রকাশ করা হয়।
খবরওয়ালা/এফএস