খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
বরিশালের কীর্তনখোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি নদীর পানি প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। শুক্রবার বিকেল ৫টার রিপোর্ট অনুযায়ী দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বরিশাল বিভাগের অনেক নিচু এলাকার জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। ঝালকাঠির বিষখালী পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার, বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিষখালী পয়েন্টে ৫২ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার এবং তজুমদ্দিন উপজেলার একই পয়েন্টে ১৬৫ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে নদীর পানি।
এছাড়া পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার বুড়িশ্বর/পায়রা পয়েন্টে ২৯ সেন্টিমিটার, আমতলী উপজেলার একই পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদর উপজেলার বিষখালী পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটা উপজেলার বিষখালী পয়েন্টে ৪৫ সেন্টিমিটার, উমেদপুর পয়েন্টে কচা নদীর পানি ২৩ সেন্টিমিটার এবং পিরোজপুরের বলেশ্বর পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমিটার ওপরে অবস্থান করছে।
পানির এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘অমাবস্যার কারণে নদীতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতিকে বন্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে না।’
খবরওয়ালা/এন