খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫
পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ও জেলা জামায়াতের রুকন অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন সিকদারের বিরুদ্ধে বিচারককে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা আইনজীবী সমিতি তাঁর সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
বুধবার সকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও সিনিয়র জেলা জজ নীলুফার শিরিন বার কাউন্সিল সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ পাঠান। অভিযোগের অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, আইন মন্ত্রণালয় ও জেলা আইনজীবী সমিতিতে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সেদিন সকাল ৯টার দিকে পিপির এক সহযোগী বিচারকের বাসায় একটি লাল ব্যাগ রেখে যান। ব্যাগ খুলে দেখা যায়, এক খামে মামলার নথি এবং আরেক খামে ৫০০ টাকার নোটে গাঁথা প্রায় ৫০ হাজার টাকার বান্ডিল।
বিচারক জানান, এই ঘটনায় তিনি ‘মানসিকভাবে অপমানিত ও ক্ষুব্ধ’ হয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগেও পিপি আসামিপক্ষের হয়ে তদবির করেছেন এবং আলোচিত জুলাই শহীদ হত্যার মামলায়ও আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে পিপি রুহুল আমিন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরীফ মো. সালাহউদ্দীন জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার জরুরি সভায় সদস্যপদ স্থগিত এবং নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত বার কাউন্সিলসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হবে।
খবরওয়ালা/এমএজেড