খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাটিংয়ের সময় হেলমেটের স্ট্র্যাপ দাঁতে চেপে ধরা সাকিবের এক নিজস্ব স্টাইল। মাথার পজিশন ঠিক রাখার জন্য তৈরি করা এই স্টাইল এখন তার নিত্যসঙ্গী, আর এই ভঙ্গিতেই তিনি মাঝেমধ্যেই খেলছেন অসাধারণ সব ইনিংস। অ্যান্টিগায় আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে ২৫ ও বল হাতে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ানোর পর সিপিএলের মঞ্চে আবারও জ্বলে উঠলেন এক সময়ের বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
আজ সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে সাকিবের ইনিংস ছিল নিখুঁত ও ত্রুটিহীন। শুরুর ১৫ বলে ২৭ রানের পর শেষ ওভারে তিনি করেন আরও ২৪ রান। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৬১ রানের এক বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি, যা তার দল অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনসকে এনে দেয় ২০৪ রানের লড়াকু পুঁজি।
দলীয় ৫১ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ার পর মাঠে নামেন সাকিব। শুরুতে কিছুটা সাবধানী থাকলেও ধীরে ধীরে তিনি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। অপর প্রান্তে ছিলেন আমির জাঙ্গু। এই দুই ব্যাটসম্যান মিলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। এরপর একের পর এক বাউন্ডারি আর ছক্কায় অ্যান্টিগার ইনিংস জমে ওঠে।
শেষ দিকে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন সাকিব। মাত্র ২০ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন, যা অ্যান্টিগার হয়ে দ্রুততম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ২৬ বলে ৬১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে তিনি যখন থামেন, কিছুক্ষণ পরই সাজঘরে ফেরেন তার সঙ্গী আমির জাঙ্গু, যিনি ৪৩ বলে ৫৬ রান করেন।
দুই থিতু ব্যাটসম্যানের বিদায়ে কিছুটা গতি কমলেও শেষ ওভারে আবারও রান বাড়ে। ১৮তম ওভারে আসে ২২ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৪ রানে থামে অ্যান্টিগা। শেষ দিকে ফ্যাবিয়ান অ্যালেন খেলেন ১৭ বলে ৩৮ রানের এক ঝড়ো ইনিংস। সাকিবের এই ইনিংস তার সিপিএল ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত সেরা। একই সাথে, তার দ্রুততম টি-টোয়েন্টি ফিফটি সিপিএলে বিদেশিদের মধ্যে পঞ্চম দ্রুততম ফিফটি।
খবরওয়ালা/টিএসএন