খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) প্যানেল ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদে’র। নির্বাচনে দলটির ২৮টি পদে কেউ জেতেননি।
ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের সর্বমোট পেয়েছেন ১১০৩ ভোট। জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদারের প্রাপ্ত ভোট ২১৩১টি। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর প্রার্থিতা ফিরিয়ে নেওয়া মাহিন সরকার পেয়েছেন মাত্র ৩৭ ভোট।
তবে এজিএস পদে কিছুটা চমক দেখিয়েছে বাগছাস। দলের কেন্দ্রীয় মুখপাত্র আশরেফা খাতুনকে মনোনয়ন দিলে ‘বিদ্রোহ’ করে চারজন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, পাঁচ প্রার্থীর লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন একজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এজিএস পদে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শিবিরের ঢাবি সেক্রেটারি মহিউদ্দিন খান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের প্রার্থী তানভীর আল হাদি মায়েদ পেয়েছেন ৫০৬৪ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বাগছাসের বিদ্রোহী প্রার্থী তাহমীদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী, যিনি দলের চারজন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩০০৮টি ভোট সংগ্রহ করেছেন।
তাহমীদ আল মুদ্দাসসিরের ধারে-কাছেও পৌঁছাতে পারেননি দলীয় প্রার্থী আশরেফা খাতুন। তিনি সর্বোচ্চ ৯০০ ভোট পেয়েছেন। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মো. আশিকুর রহমান জীম ৭৯৬, মো. হাসিবুল ইসলাম ৫০০ এবং সানজানা আফিফা অদিতি ৩৭৩ ভোট পেয়েছেন।
দলটির নেতাকর্মীরা বলছেন, দলীয় কোরামবাজির কারণে একই পদে সর্বোচ্চ পাঁচজন নেতা প্রার্থিতা করেছেন। এতে দলীয় ভোট ভাগ হয়েছে। তারা বলছেন, কোরামবাজি না করে যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী ঘোষণা করলে চরম ভরাডুবির মধ্যেও এজিএস পদটি ছিনিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হতে পারত।
খবরওয়ালা/শরিফ