খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
টঙ্গীর কুখ্যাত মাদকবস্তি কেরানীরটেকে ছিনতাই মামলার এক আসামির সঙ্গে এক সন্দেহভাজনকে আটক করে পুলিশ। তবে এসময় মাদক কারবারিদের ঘেরাওয়ের মধ্যে আটক ব্যক্তি হাতকড়াসহ পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা হাতকড়া উদ্ধার করে পুলিশের কাছে জমা দেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাকিল ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কেরানীরটেক বস্তিতে যান। সেখানে একাধিক ছিনতাই মামলার আসামি হৃদয় ও তার সহযোগী শান্তকে আটক করে হাতকড়া পরানো হয়। এ সময় মাদক কারবারিরা পুলিশকে ঘিরে হৈচৈ শুরু করলে শান্ত জানালা দিয়ে হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।
শান্ত কেরানীরটেক বস্তির মৃত আলা মিয়ার ছেলে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে হৃদয়কে থানায় নিয়ে যায়। তখন মাদক কারবারিদের ১০ মিনিটের মধ্যে পালিয়ে যাওয়া আসামিকে হাতকড়াসহ ফেরত দেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিয়ে হাতকড়া দিয়ে দিলেও শান্তকে আর পাওয়া যায়নি।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান বলেন,
‘কুখ্যাত ছিনতাইকারী হৃদয়কে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে তার সাথে থাকা শান্ত নামে একজনকে পাই। আমরা দুজনকে হাতকড়া লাগালে স্থানীয় লোকজন হৈচৈ শুরু করে। এরপর আরো বেশি ফোর্স গেলে আমরা হৃদয়কে নিয়ে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় লোকজন হাতকড়া পেয়ে আমাদের খবর দিলে আমরা হাতকড়া উদ্ধার করি। তবে পালিয়ে যাওয়া শান্ত কোনো মামলার আসামি নয়। আসামি হৃদয়ের সঙ্গে থাকায় সন্দেহজনকভাবে তাকে হাতকড়া পরানো হয়েছিল।’
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, ‘আসামি হৃদয় থানা হেফাজতে আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
খবরওয়ালা/শরিফ