খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচন কমিশন অফিসে চলছে কর্মযজ্ঞ, মাঠে নেমেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
তবে রাজনৈতিক সহিংসতা ও লুট হওয়া অস্ত্র নিয়ে শঙ্কা বেড়েছে।
অপরাধ বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫ আগস্টের হামলায় দেশের ৪০০ থানায় পুলিশের অস্ত্র ও সরঞ্জাম লুট হয়েছিল। এসব অস্ত্র আন্ডারওয়ার্ল্ড ও রাজনৈতিক ক্যাডারদের হাতে পৌঁছেছে। সেগুলো উদ্ধার না হলে নির্বাচনে সহিংসতা বাড়তে পারে।
আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দায়িত্বে থাকবেন ৮ লাখ নিরাপত্তাকর্মী। এর মধ্যে দেড় লাখ পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। থাকবে ৪০ হাজার বডি ক্যামেরাও। তবে প্রতিদিন গড়ে ১১টি খুন এবং ছিনতাই-ডাকাতি অব্যাহত থাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এক বছরে আইনশৃঙ্খলায় দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। বরং নির্বাচনের আগে সহিংসতা বাড়তে পারে। টিআইবির তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ১২১ জন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি বলেন,“অস্ত্র উদ্ধার একটি চলমান প্রক্রিয়া, নির্বাচনের আগে আমরা প্রায় সব অস্ত্র উদ্ধার করতে পারব।”
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাঠ প্রশাসনকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে। সহিংসতা দমন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।
খবরওয়ালা/আশ