খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শূন্য পদে নিয়োগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে একই দাবিতে রবিবার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে মানববন্ধন করেন তারা। মহাপরিচালকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রাজস্ব) রাজা মুহাম্মদ আব্দুল হাই তাদের দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অদৃশ্য জটিলতার কারণে আমরা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত। ২৪ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে আমরা মাত্র ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই যা মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর ২.৩ শতাংশ। এদের মধ্যে ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছে।
সেখান থেকে ৪ হাজারের অধিক কর্মস্থলে যোগদান করেননি। এই যোগদান না করা ৪ হাজার শূন্য পদে আমরা ৬১ জেলার প্রার্থীরা নিয়োগ চাই।
তারা বলেন, সাবেক গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই ৪ হাজার জনকে বঞ্চিত করে পরবর্তী সার্কুলার দিয়ে শত শত কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য করে ৬১ জেলার নিয়োগ প্রার্থীদের বঞ্চিত করেছেন। সার্কুলারের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা ছিল, শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ দেওয়ার কথা।
কিন্তু শূন্য পদ রেখে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করা হয়।
তারা দাবি করেন, ‘ওপর মহলের’ নির্দেশে ২০১৮ সালে ভিন্নমতের প্রার্থীদের অর্থাৎ যারা আওয়ামী লীগ করেনি তাদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টে শূন্য পদে নিয়োগের জন্য রিট করা হলে হাইকোর্ট শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশ না মেনে জাকির হোসেনের নির্দেশে পরবর্তী সার্কুলার দিয়ে শত শত কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য হয়। আমরা ২০২০ সালে প্রেসক্লাব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ৫৭ দিন আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি পালন করি।
সংকট নিরসনে বিগত ২ বছর যাবত আমরা নিজ অধিকার আদায়ের জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মসূচি পালন করে আসছি। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আমরা ২০১৮ সালে নিয়োগ বঞ্চিত হয়েছি। তথ্য উপাত্ত যাচাই করে আমাদের দ্রুত নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
খবরওয়ালা/এফএস