খবরওয়ালা খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই আজ দুপুর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নেন সহসভাপতি মাহবুব আনাম ও কাজী ইনাম আহমেদ। সরাসরি উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম, পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইফতেখার রহমান মিঠু ও ফাহিম সিনহা। অ্যাক্রাম খান সভায় উপস্থিত ছিলেন না। লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান।
জানা গেছে, সভার মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আসন্ন নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রেরণ ইস্যু। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের অনুরোধ জানিয়েছে যে, তারা যেন ক্যাটাগরি–১ থেকে নতুন কাউন্সিলর প্রেরণ না করেন। এরই মধ্যে আইনি পদক্ষেপের হুমকিও এসেছে।
সংকটের সূত্রপাত ১১ সেপ্টেম্বর, যখন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়। তবে বেশিরভাগ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা তা মেনে নি। ৫৩টি ফরম জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের স্বাক্ষরে বিসিবিতে জমা পড়লেও, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সব জেলা ও বিভাগীয় কমিটি ভেঙে নতুন এডহক কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি থেকে নতুন কাউন্সিলর প্রেরণের নির্দেশ দেয় বিসিবি সভাপতি। বিষয়টি নিয়ে এডহক কমিটির বাইরে থাকা জেলা ও বিভাগীয় সংগঠকরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছে।
তাদের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই প্রশাসনের স্বাক্ষরে কাউন্সিলর চূড়ান্ত হওয়ার পর কেন নতুন তালিকা চাওয়া হলো, কেন এডহক কমিটি থেকে নাম প্রেরণের নির্দেশ এল—এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। তারা বলেন, বিসিবি সভাপতির চিঠি বিসিবি ও স্থানীয় সংগঠনের গঠনতন্ত্রবিরোধী। গঠনতন্ত্রের ১২.৭ ধারা অনুযায়ী পুনরায় কাউন্সিলর প্রেরণের সুযোগ নেই, এবং ১৪.২.১ ধারা অনুযায়ী সভাপতিরও নতুন নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা নেই। এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অনুমোদিত গঠনতন্ত্র অনুসারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপেরও সুযোগ নেই।
তবে শুধু কাউন্সিলর বিতর্কই নয়, আজকের জরুরি সভায় আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে চার ক্লাবের মালিকানা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব নিষ্পত্তি এবং তৃতীয় বিভাগে ১৪ ক্লাবের কাউন্সিলর মনোনয়ন ইস্যু।
খবরওয়ালা/এন