খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
কথা বলতে বলতে হঠাৎ জিভ অবশ হয়ে যেতে পারে। হাত তুলে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করলে দেখবেন হাতও তোলা সম্ভব হচ্ছে না। শরীরের একপাশ অসাড় হয়ে যায়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব স্বাভাবিক হলেও চিকিৎসকের কাছে যাওয়া এ সময় অনেকেই গুরুত্ব দেন না। পরে হঠাৎ বড় স্ট্রোকের ধাক্কা জীবনকে বিপদে ফেলতে পারে।
ব্রেনস্ট্রোক সবসময় স্পষ্টভাবে দেখা দেয় না। এর উপসর্গ সবার ক্ষেত্রে একরকম হয় না। তাই স্ট্রোকের সম্ভাব্য লক্ষণগুলো চিনে রাখা এবং সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
মনে রাখুন, হাঁটা-দৌড়ানো—সবকিছুর সংকেত মস্তিষ্ক থেকে আসে। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে পেশিতেও প্রভাব পড়ে। পেশি শক্ত হয়ে যায়, হাত-পা নাড়াতেও সমস্যা হয়। এমন লক্ষণ দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে—বড় স্ট্রোকের আগে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। সেগুলো চিনতে পারলে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।
স্ট্রোকের সম্ভাব্য উপসর্গগুলো হলো—
হঠাৎ মাথা ঘোরা। দাঁড়িয়ে, বসে বা কম্পিউটারে কাজ করার সময় চোখে অন্ধকার দেখা দিতে পারে। এটি কিছু সময়ের জন্য হলেও লাগাতার হলে সতর্ক হতে হবে।
শরীরের একপাশে ব্যথা। যেমন—বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ বা শরীরের বাঁ পাশে ব্যথা, অসাড় ভাব দেখা দিতে পারে।
কথা বলার সময় জিভ ভারী লাগা, কথা জড়িয়ে যাওয়া।
মুখের পেশিতে কম্পন। কথা বলার সময় মুখ বেঁকে যাওয়ার সমস্যা। মুখের পেশির অসাড়তা স্ট্রোকের বড় লক্ষণ।
মাথায় যন্ত্রণা, যা অনেকেই মাইগ্রেন ভাবতে পারেন। ব্যথানাশক ওষুধ বিপদ বাড়াতে পারে।
দৃষ্টি ঝাপসা বা ডবল ভিশন। চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা বা দ্বিগুণ দেখার সমস্যা।
এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
খবরওয়ালা/টিএসএন