খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অক্টোবরের শুরুতেই বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাত হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মঙ্গলবার রাতের বুলেটিনে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে দেশের ওপর কম সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা মাঝারি সক্রিয় অবস্থায় আছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এর প্রভাবে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ভারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। এতে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বোচ্চ ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। রাজশাহীতে ৩৯ ও বগুড়ায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটের শ্রীমঙ্গলে ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ২ থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মধ্যে তিস্তা নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লালমনিরহাট ও নীলফামারীর নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
একই সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদী সতর্কসীমায় পৌঁছালে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।
এ ছাড়া ১ থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সুরমা-কুশিয়ারা, মনু, ধলাই, খোয়াই, ভুগাই-কংসসহ কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
খবরওয়ালা/এন