খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। গত এক বছরে দেশের অনেক পট পরিবর্তন ও সার্বিক পরিস্থিতি তার স্বপ্নভঙ্গ করেছে।
সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন অভিনেত্রী।
সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি ও আশাভঙ্গের কথা শোনা গেল বাঁধনের মুখে।
কথোপকথনে বাঁধন জানান, দেশে মব কালচার, নারীর প্রতি বিদ্বেষ বেড়েছে। দেশ নিয়ে স্বপ্ন হারাচ্ছে মানুষ।
বাঁধন বলেন, ‘জুলাইয়ে যারা রাজপথে ছিলাম, একেকজন একেক ইস্যুতে মাঠে নেমেছে। আমি চেয়েছি সাম্যের বাংলাদেশ, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য।
এমন দেশ সবসময়ের চাওয়া। সেই জায়গা থেকে এটা ঐতিহাসিক সুযোগ ছিল বলে মনে করছি। কিন্তু সত্যি বলতে আমাদের প্রত্যাশাও হয়তো বেশি ছিল। আমরা একটা দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। এ কারণে ভালো কাজ করা যে সহজে সম্ভব, তাও নয়।
মব কালচার, নারীর প্রতি বিদ্বেষ। ভাস্কর্য ভাঙা হয়েছে। স্থাপনা ও মাজার ভাঙা হলো। সব মিলিয়ে আইনশৃঙ্খলাও হতাশার। এসব আসলে লজ্জার ও দুঃখের। যে স্বপ্ন দেখেছি, যে সুযোগ ছিল- সেটা হয়তো হারিয়েছি বলে মনে হয় এখন। সরকারের পারফরম্যান্স আমাকে অন্তত আনকমফোর্টেবল করেছে। ডিজহার্টেড (হতাশ) হয়েছি।’
দেশে ডানপন্থা রাজনীতির উত্থান হয়েছে এবং নারীদের প্রতি বৈষম্য বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, ‘ডানপন্থা বলতে যা বুঝি, যারা এক্সট্রিমিস্ট বা একটা বিষয়ে অন্ধবিশ্বাসী। সেটা আগেও যে ছিল না তা নয়। যেমন হেফাজতে ইসলাম নামের একটি সংগঠন গঠন হয়েছিল। নারীদের অসম্মানের গল্প তো নতুন নয়। সাংস্কৃতিক বাধা নতুন নয়। এটা ছিলই। হয়তো এভাবে আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। কিন্তু বিষয়গুলো হঠাৎ হয়নি। তবে আমি একদমই এসব একসেপ্ট করি না। আমি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চাই। প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। বিপ্লবটা সেই আশাতেই করেছিলাম।’
খবরওয়ালা/এফএস