খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের খলিফারহাট বাজারে এই সংঘর্ষ ঘটে। এর আগেও মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে একই স্থানে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন যুবদল কর্মী মো. সিরাজ (৩৮), সবজি বিক্রেতা মো. গাজী আলম (৪৫), সিএনজি চালক মো. সিরাজ (৩৫), মো. শাহজাহান (২৫) এবং পথচারী হিমেল (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে খলিফারহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন তরুণের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা নুরুল আমিনের অনুসারী সুরুজ ওই তরুণদের মারধর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাজারে যুবদল কর্মী সিরাজের সঙ্গে সুরুজের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে সুরুজ বাজারে ফাঁকা গুলি চালালে সবজি বিক্রেতা গাজী আলম ছররা গুলিতে আহত হন।
এ ঘটনার জেরে বুধবার সকালে সুরুজ তার সমর্থকদের নিয়ে ফের বাজারে হামলা চালান। এতে যুবদল কর্মী সিরাজ ও পথচারী হিমেলকে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। পাল্টা হামলায় প্রতিপক্ষের মো. শাহজাহানও আহত হন। গুরুতর আহত গাজী, সিরাজ ও হিমেলকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিএনপি নেতা নুরুল আমিন ও তার সহযোগী সুরুজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো ও সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ ফোন ধরেননি।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, “ব্যবসায়ী আহত হওয়ার দাবি পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে গতকাল দুই-তিনজন আহত হয়েছে বলে খবর পেয়েছি।”