খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেছেন, “দেশবাসী উদ্বিগ্ন এবং উৎকণ্ঠিত। নভেম্বরের ১৩ তারিখে কী হবে? কোনো সমঝোতা হয়নি। জামায়াত জানিয়েছিল, তাদের দাবি না মানলে তারা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং ঢাকাকে অচল করে দেবে।
আওয়ামী লীগের লকডাউনের কর্মসূচিও ওইদিন। নাশকতার ছক এঁকেছে বলে গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে। ওইদিন শেখ হাসিনার মামলায় রায়ের তারিখ ঘোষণা হওয়ার কথা। সব মিলিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায়, চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।”
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।
জিল্লুর রহমান বলেন, “সরকার সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছিল, সেই সময় ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তারা কী সিদ্ধান্ত দেবে? আগে বলেছিল, ইম্পোজ করবে। যে সিদ্ধান্তই দেওয়া হোক, তা কারো না কারো পক্ষে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “গত দু-তিন দিন ধরে করিডরে আলোচনা হচ্ছে, সরকার দুপক্ষকে খুশি করার চেষ্টা করবে। বিএনপিকে খুশি করবে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে দিয়ে। জামায়াতকে খুশি করবে উচ্চকক্ষে পিআর দিয়ে। তবে এই পিআর কি বিএনপির জন্য গ্রহণযোগ্য হবে? বিএনপি কি তা মানবে?”
জিল্লুর বলেন, “জুলাই সনদের আদেশ চায় এনসিপি। তা দেখে তারা স্বাক্ষর করবে। জামায়াত তাদের দাবিতে অনড়, গণভোট আগে হতে হবে। কারণ তাদের বিশ্বাস নেই যে, গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একই দিনে হলে তারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাবে। মূলকথা, জামায়াত তাদের রাজনীতির ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রয়েছে।”
খবরওয়ালা/টিএসএন