খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) নিয়ে শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা যেন শেষ হওয়ার নাম নিচ্ছে না। ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনের পর বোর্ডে পরিবর্তন এসেছে, তবে টুর্নামেন্টের পূর্ববর্তী ব্যর্থতা পেছনে ফেলার চ্যালেঞ্জ এখনও কঠিন। এবারের বিপিএলের প্রধান সমস্যা হলো ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক সক্ষমতা। পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের জন্য ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি দেওয়ার শর্ত রাখা হয়েছিল। কিন্তু জানাগেছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট দল এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
বিসিবি সময়সীমা বাড়িয়ে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত নতুন সুযোগ দিয়েছে, তবে প্রশ্ন উঠছে যে এই সময়ে দলের আর্থিক দুর্বলতা কাটানো সম্ভব হবে কিনা। এছাড়াও, অতীতে জুয়া এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অশুভ চক্র কিছু দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। বিশেষ করে রাজশাহী দলের পুরনো বিতর্কিত সম্পর্ক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিপিএলের সূত্র জানিয়েছে, ‘যারা অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত তাদের কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না’।
অর্থনৈতিক ও নৈতিক এই সংকটই বিপিএলের প্রধান হুমকি। ২৩ নভেম্বরের ক্রিকেটার নিলামের আগে হাতে মাত্র ৭ দিন রয়েছে, ফলে সময়ের ঘাটতি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য প্রস্তুতি কঠিন করে তুলতে পারে। অতীতে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের বকেয়া পারিশ্রমিক, ফ্র্যাঞ্চাইজির আর্থিক দুর্বলতা, এবং জুয়া সংশ্লিষ্ট সমস্যা বিসিবির মধ্যস্থতার প্রয়োজন তৈরি করেছিল। এবারও ব্যাংক গ্যারান্টি শর্ত পূরণে ব্যর্থতা একই ধরণের অস্থিরতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ড বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষতি প্রদর্শন করছে।
সংক্ষেপে, বিপিএলের টিকে থাকার মূল চ্যালেঞ্জ এখন আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জুয়া ও ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অশুভ চক্রকে প্রতিহত করা। বিসিবির কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ ছাড়া এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব।