খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 3শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ১৭ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
প্রাথমিক শিক্ষকদের দশম গ্রেড বাস্তবায়নসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সহকারী শিক্ষক ফাতেমা আক্তার (৪৫) মৃত্যুবরণ করেছেন। আহত হওয়ার ১০ দিন পর গত রোববার সকালে ঢাকার মিরপুরের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ফাতেমা চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার ঘনিয়ারপাড় গ্রামের সুরুজ মোল্লার কন্যা এবং ঠাকুরচর গ্রামের স্কুলশিক্ষক ডি এম সোলেমানের স্ত্রী। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি পরিবারের প্রাণভোম।
গতকাল রাতে মতলব উত্তরের ঠাকুরচর গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।
মতলব উত্তরের আমিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, “আমরা একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলেন। ৮ নভেম্বর শাহবাগে সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কিছু সময়ের জন্য কথা বলাই বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। গত রোববার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান।”
ফাতেমার স্বামী ডি এম সোলেমান বলেন, “স্ত্রীকে হারিয়ে আমরা শোকাহত। আন্দোলনে গিয়ে এভাবে তাঁর জীবন শেষ হবে তা কল্পনাও করিনি। এখন আমি একা হয়ে গেছি।”
মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা এবং মতলব উত্তর থানার পরিদর্শক প্রদীপ মন্ডল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।