খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের রদবদলে কোনো নির্দিষ্ট ডিজাইন বা উদ্দেশ্য কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। এক মাসও হয়নি, ২০ দিনও হয়নি, একজন ডিসি হঠাৎ চলে গেছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে অনেককে রদবদল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটার পেছনে মনে হয় কোনো একটা নির্দিষ্ট ডিজাইন বা উদ্দেশ্য রয়েছে। এটি হয়তো কোথাও থেকে পরিচালিত হচ্ছে।”
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের আওতায় চলে আসবে। এ পরিস্থিতিতে আস্থা নিশ্চিত করতে ডিসি–এসপি বদলিতে লটারিভিত্তিক পদ্ধতি গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিল জামায়াত। তবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় পরিষ্কার কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, “সবচেয়ে নিরপেক্ষ এবং আস্থা রাখার উপায় হলো লটারির মাধ্যমে ট্রান্সফার করা। যার যেখানে ভাগ্য আছে সে চলে যাবে। এতে কোনো প্রশ্নের উদ্রেক হবে না।”
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ ও গণভোটও প্রাসঙ্গিক। একই দিনে দুটি ভোটগ্রহণ হলে ভোটাররা সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়বেন। আমাদের মতে, গণভোট আগে হওয়া উচিত।”
গোলাম পরওয়ার প্রবাসীদের ভোট বিষয়ে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নীতিমালায় প্রবাসীদের গণভোটের কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই। অনেক প্রবাসীর এনআইডি জটিলতার কারণে পাসপোর্টের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধনের প্রস্তাব পুনরায় উত্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তায় তিনি বলেন, প্রতি ভোটকেন্দ্রে অন্তত ৫ জন সেনাসদস্য থাকা উচিত। একজন সেনা থাকলে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট প্রভাব পড়বে না। এছাড়া দলের অঙ্গীকারনামা কোথায় জমা দিতে হবে তা তফসিলে অস্পষ্ট রয়েছে। প্রার্থীরা স্থানীয় পর্যায়ে মনোনয়ন জমা দেবেন, কিন্তু দলীয় অঙ্গীকারনামা কি ঢাকার নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিতে হবে তা পরিষ্কার হওয়া জরুরি।
খবরওয়ালা/টিএসএন