খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
বিপিএলের প্রায় প্রতিটি আসরেই নানান অভিযোগ ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। তবে এবারের পরিস্থিতি সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ব্যাংক গ্যারান্টি জমা না দেওয়ায় পুরো আয়োজন এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।
সময়সীমা বাড়ানোর পরও কোনো দল সম্পূর্ণ ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে না পারায় নিলামের তারিখ আবার পিছিয়ে ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
গভর্নিং কাউন্সিল একাধিকবার সময় বাড়ালেও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো শেষ পর্যায়েও টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হয়। সময়সীমা শেষ হওয়ার পর অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও তাতেও কোনো দল সম্পূর্ণ গ্যারান্টি জমা দিতে পারেনি। অনেকের মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজিদের এই অনাস্থা গভর্নিং কাউন্সিলকে কার্যত ‘জিম্মি’ করে রেখেছে।
সূত্রের তথ্যে জানা যায়, পাঁচ দলের কেউই পূর্ণ গ্যারান্টি দেয়নি। ঢাকা ক্যাপিটালস জমা দিয়েছে অর্ধেক; সিলেট টাইটান্স দিয়েছে আংশিক; রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের জমার অঙ্ক নিয়েও পরিষ্কার তথ্য নেই—সদস্যদের বক্তব্যও এক নয়।
তবে সদস্য সচিব ইফতেখার আহমেদ দাবি করেন, তারা ঢাকা, রংপুর এবং রাজশাহীর কাছ থেকে পূর্ণ গ্যারান্টি পেয়েছেন; সিলেট ও চট্টগ্রাম কোনো অর্থ জমা দেয়নি।
তিনি আরও জানান, ফ্র্যাঞ্চাইজিদের ব্যাংক গ্যারান্টি জমার সময় ১৩ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে ১৮ নভেম্বর করা হয়েছিল। তবুও সবাই গ্যারান্টি জমা দিতে পারেনি। কয়েকটি দল অতিরিক্ত সময়ও চাইলে শেষ পর্যন্ত নিলাম পেছানো ছাড়া কোনো সমাধান ছিল না। এখন এক টাকাও না দেওয়া চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়িত্ব বিসিবি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে এবং বাইরে থেকে বিনিয়োগ এনে অন্তত এ বছরের আসরটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
গভর্নিং কাউন্সিলের একাধিক সদস্যের মত, তিন দলের গ্যারান্টির টাকায় বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে নিয়ে টুর্নামেন্ট চালানো সম্ভব নয়। তাই নতুন বিনিয়োগকারী খোঁজা এবং বিকল্প পরিকল্পনার পথে অগ্রসর হচ্ছে বিসিবি।
খবরওয়ালা/টিএসএন