খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজধানী ঢাকায় শীতের শীতল স্পর্শ থাকলেও তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে উষ্ণতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারাদিনের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকতে পারে। শীতকালীন প্রভাবের অংশ হিসেবে ভোররাত ও সকালে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা সকালে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা তৈরি করতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। এই হাওয়া শীতল আবহ অনুভূত করালেও দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুষ্ক শীতকালীন আবহাওয়ায় এমন অবস্থা স্বাভাবিক এবং জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজধানীর আবহাওয়া আরও স্বাভাবিক ও মৃদু ঠান্ডা হতে পারে।
ঢাকার আবহাওয়া সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির প্রথম ভাগ পর্যন্ত তুলনামূলক শীতল থাকে। বছরের শেষ প্রান্তে রাতের তাপমাত্রা কমে গেলেও দিনের বেলায় সূর্য উঠলে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই, ফলে শুষ্ক আবহ দীর্ঘায়িত হতে পারে। এটি শীতের আমেজ বাড়াবে বটে, তবে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা পর্যাপ্ত পানি পান ও ত্বকের যত্নের পরামর্শ দিচ্ছেন।
নীচে সম্ভাব্য আবহাওয়ার সারাংশ একটি টেবিলে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | পূর্বাভাস |
|---|---|
| আকাশের অবস্থা | কুয়াশাচ্ছন্ন, আংশিক মেঘলা |
| বৃষ্টির সম্ভাবনা | নেই |
| বাতাসের দিক | উত্তর/উত্তর-পশ্চিম |
| বাতাসের গতি | ঘণ্টায় ৮-১২ কিমি |
| কুয়াশা | মাঝারি থেকে ঘন |
| দিনের তাপমাত্রা | সামান্য বাড়তে পারে |
| আবহাওয়া | শুষ্ক থাকবে |
এসব আবহ পরিবর্তন নাগরিক জীবনে নানা প্রভাব ফেলে। সকালবেলায় গাড়ির হেডলাইট ব্যবহার এবং কুয়াশার সময়ে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা-সংক্রান্ত রোগ থেকে রক্ষা পেতে উষ্ণ কাপড় ব্যবহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
সর্বোপরি, শীতের এই সময়ে তাপমাত্রা খানিক ওঠানামা করলেও সার্বিকভাবে ঢাকার আবহাওয়া শান্ত ও শুষ্ক থাকবে বলে মনে করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নিয়মিত পূর্বাভাস অনুসরণ করলে নাগরিকরা আবহের পরিবর্তন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারবেন।