খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হালান্ডের নরওয়ে সফর থেমে গেল চমকপ্রদভাবে। তার স্বদেশে পেপ গার্দিওলার দল যেভাবে খেলা খেলল, তা নরওয়েজিয়ান ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কখনোই কোনো ম্যাচ জেতেনি এমন বোদো/গ্লিম্ট তাদের মাঠে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে।
মাঠে উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্টোরে, যিনি প্রত্যক্ষ করেছেন ক্লাবটির রেকর্ডজয়। বোদো/গ্লিম্টের খেলোয়াড়রা নিজেদের ইতিহাসের সেরা প্রদর্শনী উপহার দিল।
ম্যাচ শুরু হওয়ার পর বোদোই আক্রমণে এগিয়ে যায়। সিটি দ্রুত পাল্টা আক্রমণ তৈরি করলেও ফিল ফোডেন ও আর্লিং হালান্ড নিজেদের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। অন্যদিকে, বোদোর আক্রমণ সিটির বাম পাশ ভেঙে রেকর্ড স্থাপন করে।
প্রথম গোল আসে ২২ মিনিটে, ওলে ডিডরিগ ব্লমবার্গের ক্রস থেকে ক্যাসপার হগের পায়ের জাদুতে। সঙ্গে সঙ্গে পরের মিনিটে হগ আবারও গোল করে দলকে ২-০ তে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে জেন্স পিটার হাউগের গোল বোদোর জয় নিশ্চিত করে। যদিও রায়ান চেরকির গোল ২ মিনিট পর সিটির জন্য আশা জাগাল, তবে রদ্রি এরনান্দেজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে সিটি ১০ জনে সীমিত হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত গোলের ব্যবধান ধরে রাখতে পারেনি।
ম্যাচের মূল পরিসংখ্যানগুলো নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| ঘটনা | বোদো/গ্লিম্ট | ম্যানচেস্টার সিটি |
|---|---|---|
| গোল | ৩ | ১ |
| প্রধান গোলদাতা | ক্যাসপার হগ (২), জেন্স পিটার হাউগ | রায়ান চেরকি |
| রক্ষণে কার্ড | ১ হলুদ | রদ্রি এরনান্দেজ (২ হলুদ → রেড) |
| লক্ষ্য | প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় | প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন সিটির হার |
ম্যাচ শেষে বোদোর সমর্থকেরা আনন্দে মাতোয়ারা হয়। প্রথমবারের মতো ইতিহাস রচনা, এবং সেটা এমন একটি ম্যাচে যেখানে দুই মৌসুম আগের চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি তাদের পথরোধ করেছিল। এই জয়ে বোদো/গ্লিম্ট প্রমাণ করলো, ফুটবলের কোনোটাই পূর্বনির্ধারিত নয়, এবং ড্রিম ক্লাবও বড় কোনো প্রতিপক্ষকে হারাতে সক্ষম।