খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি তার ৪৫২তম পরিচালনা বোর্ড সভা মঙ্গলবার ব্যাংকের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত করেছে। ব্যাংকের অফিসিয়াল প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সভার সভাপতিত্ব করেন খাজা শাহরিয়ার, বোর্ডের চেয়ারম্যান। এই সভা ব্যাংকের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করেছে।
সভায় ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য, কার্যক্রমের উন্নয়ন এবং কর্পোরেট নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণতা ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করা হয়। বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া হয় সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক প্রবণতা, কর্পোরেট গভর্নেন্স শক্তিশালীকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, এবং দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধিকে সমর্থন করার জন্য নতুন নীতিমালা অনুমোদন। এছাড়াও আলোচনা হয় গ্রাহক-কেন্দ্রিক ব্যাংকিং উদ্যোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেবার দক্ষতা বৃদ্ধি, এবং শাখা পর্যায়ে কার্যক্রমের মান উন্নয়ন।
পরিচালনা বোর্ড – প্রধান সদস্যবৃন্দ
| নাম | পদবী |
|---|---|
| খাজা শাহরিয়ার | চেয়ারম্যান, বোর্ড |
| মোঃ শাহিন উল ইসলাম | পরিচালক |
| মোঃ আবদুল ওয়াদুদ | পরিচালক |
| প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ | পরিচালক |
| মোহাম্মদ অসরাফুল হাসান FCA | পরিচালক |
| মোহাম্মদ রাফাত উল্লাহ খান | ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও |
| মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান FCA | কোম্পানি সচিব (অভিনস্থ) |
| সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার | গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন |
সভায় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের টেকসই বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রীয়াহ-অনুসারী ব্যাংকিং নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। প্রধান মনোযোগের বিষয়গুলো ছিল:
ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ
নতুন শাখা ও সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ
শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য বৃদ্ধি এবং কৌশলগত বিনিয়োগ আকর্ষণ
ইসলামী ব্যাংকিং খাতে নেতৃত্ব সংহতকরণ
সভা শেষে চেয়ারম্যান খাজা শাহরিয়ার বলেন, “অবিরাম কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রো-অ্যাকটিভ নীতি গ্রহণ আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থিক পরিবেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। আমরা গ্রাহক-কেন্দ্রিক, নৈতিক ও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, একই সঙ্গে ইসলামী আর্থিক নীতির প্রতি কঠোরভাবে আনুগত্য বজায় রাখব।”
৪৫২তম বোর্ড সভা ব্যাংকের নেতৃত্বের সিদ্ধান্তগুলো আধুনিক ব্যাংকিং মানদণ্ড, নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা, এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে ব্যাঙ্কের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। এটি দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের ইসলামী ব্যাংকিং খাতে টেকসই বৃদ্ধি ও বাজারে নেতৃত্ব গড়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার একটি অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।