খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 30শে মাঘ ১৪৩২ | ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী) আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এটি ঘটেছে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে। ফলে আজকের ভোট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হচ্ছে না এবং পরে নতুন করে ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুসারে, কোনো সংসদীয় আসনে ভোটের আগে কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সেই আসনের নির্বাচন স্থগিত বা বাতিল করা হয়। এটি ভোটের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রযোজ্য।”
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর ধারা অনুযায়ী, কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল করবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে। নতুন তফসিল ঘোষণার পর যেসব প্রার্থী আগে বৈধ হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন, তাদের নতুন মনোনয়নপত্র জমা বা জামানত দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে, এই সময় নতুন প্রার্থী যদি আসতে চায়, তারা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
শেরপুর-৩ আসনের ভোট স্থগিত হওয়ার ফলে এলাকার ভোটারদের জন্য নির্বাচনী সময়সূচি আপাতত অচল। প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশন আশা করছে, দ্রুতই নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে। এতে ভোটাররা প্রস্তুতি নিয়ে ভোট দিতে পারবেন এবং প্রার্থীরাও সুষ্ঠুভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালাতে পারবেন।
নিম্নে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী তথ্য সংক্ষেপে দেখানো হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| আসনের নাম | শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) |
| ভোট স্থগিতের কারণ | বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু |
| তফসিল ঘোষণার দায়িত্ব | নির্বাচন কমিশন |
| প্রার্থীর নতুন মনোনয়ন প্রয়োজন? | পূর্বে বৈধ প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজন নেই |
| নতুন প্রার্থী যোগদান সম্ভব? | হ্যাঁ, নতুন মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন |
| আগামী ভোটের নতুন তারিখ | পরবর্তীতে কমিশন ঘোষণার পরে নির্ধারিত হবে |
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটের স্বচ্ছতা এবং আইনগত নিয়মাবলী বজায় থাকবে। ভোটাররা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তি ও স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করবেন।
শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত হওয়ার খবর নির্বাচনকে কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেললেও, আইন এবং প্রক্রিয়ার প্রতি সঠিকভাবে পালন নিশ্চিত করছে যে ভোট সুষ্ঠু ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হবে।