রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ থানার ইসলামবাগ এলাকায় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,…
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। লক্ষীকুণ্ডা ইউনিয়নের কামালপুর এলাকায় বিএনপি নেতা বিরু মোল্লা (৬৫)…
চট্টগ্রাম নগরীতে আবারও যাত্রীবেশে ছিনতাইয়ের ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।গভীর রাতে অল্প সময়ের যাত্রাই যে এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতায় রূপ নিতে পারে, তা যেন টের পেয়েছেন মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট আনিছুল ইসলাম। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় এ নাটকীয় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো সেদিনও চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল এলাকার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন আনিছুল ইসলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ব্যস্ত সময় হওয়ায় কোনো যাত্রীবাহী সিটি বাসে উঠতে পারেননি তিনি। ঠিক তখনই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চান্দগাঁও সিঅ্যান্ডবি মোড় যাবে বলে যাত্রী ডাকতে থাকে। অটোরিকশাটিতে আগে থেকেই তিনজন যাত্রী ছিলেন—চালকের পাশে একজন এবং পেছনের আসনে দুজন। স্বাভাবিক যাত্রী ভেবেই আনিছুল ইসলাম পেছনের আসনে ওঠেন। কে জানত, এই সহযাত্রীরাই তাঁর সর্বস্ব নিয়ে পালাবে! অটোরিকশাটি বহদ্দারহাট মোড় থেকে বাস টার্মিনাল সংলগ্ন জিয়া কমপ্লেক্স এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ এক যাত্রী অসুস্থতার ভান করে বলেন, তাঁর বমি আসছে। এ কথা শুনে চালক অটোরিকশাটি একটি তুলনামূলক নির্জন স্থানে থামান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হওয়ায় আনিছুল ইসলামসহ আরেক যাত্রী গাড়ি থেকে নামেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে ছিনতাই। যাত্রীবেশে থাকা ছিনতাইকারীরা আনিছুল ইসলামের হাতে থাকা ব্যাগটি কেড়ে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই অটোরিকশাটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ব্যাগে থাকা ছিল তাঁর ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ নগদ অর্থ—মোট ১০ লাখ টাকা। ঘটনার পরদিন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।” ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র বিষয় বিবরণ ভুক্তভোগী আনিছুল ইসলাম পেশা মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট ঘটনা সময় শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, রাত সাড়ে ১০টা স্থান…
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার গুপ্তরগাতী গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযানে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গুপ্তরগাতী গ্রামের বাসিন্দা বোরহান শেখ (৪১) এবং তার স্ত্রী জামিলা বেগম (৩৪)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই এই দম্পতি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। তবে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে এতদিন তারা আইনের আওতার বাইরে ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “বিশ্বস্ত গোপন সূত্রে আমরা জানতে পারি যে মুকসুদপুর উপজেলার গুপ্তরগাতী গ্রামে বিপুল পরিমাণ গাঁজা কেনাবেচার প্রস্তুতি চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ দল গঠন করে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।” তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় বোরহান শেখের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করার পর ঘটনাস্থল থেকেই স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়। ডিএনসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত গাঁজা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হলে এর আর্থিক মূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযান শেষে জব্দকৃত গাঁজা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে সরকার। ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য (টেবিল) বিষয় তথ্য জেলা গোপালগঞ্জ উপজেলা মুকসুদপুর গ্রাম…
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় যমুনা অয়েল কোম্পানির লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুবকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে…
গায়ে বড় অক্ষরে লেখা ‘অরিজিনাল’। রঙ, গন্ধ, মোড়ক—সবকিছুতেই নামকরা ব্র্যান্ড ডেটলের সঙ্গে হুবহু মিল। কিন্তু বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে ছিল ভয়ংকর প্রতারণা। মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে তৈরি নকল সাবান দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। নীরবে চলা এই কারখানাটি শুধু ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণাই করেনি, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য তৈরি করেছিল মারাত্মক ঝুঁকি। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন মজ্জারটেক শিকলবাহা এলাকায় এমনই একটি গোপন নকল সাবান তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম, র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শিকলবাহা এলাকায় অবৈধভাবে নকল সাবান উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শিকলবাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের একটি স্থাপনায় কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়। বাইরে থেকে এটি অটোরিকশা গ্যারেজ বলে মনে হলেও ভেতরে ঢুকে দেখা যায় আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নকল সাবান তৈরির পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। অভিযানকালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ব্র্যান্ডের আদলে তৈরি বিপুল পরিমাণ নকল সাবান, কাঁচামাল, ছাঁচ, মোড়ক ও উৎপাদন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। অবৈধ কারখানাটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয় এবং উদ্ধারকৃত সব মালামাল জব্দ করা হয়। বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, কারখানাটি ‘সলিড করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ প্রদত্ত ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছিল। লাইসেন্সে সাধারণ সলিড সাবান উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে এখানে ডেটল এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ‘লিফোর্ড’-এর নামে নকল সাবান তৈরি করা হচ্ছিল, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারখানাটির কোনো বিএসটিআই অনুমোদন বা মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ছিল না। ব্যবহৃত কাঁচামাল ছিল নিম্নমানের এবং এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে, যা ত্বকের এলার্জি, চুলকানি, র্যাশ ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে শিশু ও সংবেদনশীল ত্বকের মানুষের জন্য এসব সাবান অত্যন্ত বিপজ্জনক। র্যাব-৭, চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। তারা নামকরা ব্র্যান্ডের সুনাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। এটি শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধেও গুরুতর অপরাধ। ভোক্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” অভিযানকালে কারখানায় কর্মরত দুজন শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে চক্রটির মূল হোতাদের শনাক্তে কাজ চলছে। এদিকে এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই স্থাপনায় রাতের বেলায় অস্বাভাবিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যেত। স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম এটা অটোরিকশা গ্যারেজ। গভীর রাতে কাজ চললেও সন্দেহ করিনি যে এখানে নকল সাবান তৈরি হচ্ছে।” ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে এসব নকল সাবান ব্যবহারের ফলে অনেকেই ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন। নকল ও আসল পণ্যের পার্থক্য সহজে বোঝা না যাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে। তাই নকল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন ভোক্তারা। অভিযানের সংক্ষিপ্ত তথ্য (টেবিল) বিষয় তথ্য অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা…
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিতাদেশ চেয়ে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে আগামী সাত দিনের…
সুদানের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মধ্যে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মোঃ সবুজ মিয়া। মৃত্যুর খবর পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই পলাশবাড়ী উপজেলার ছোট ভগবানপুর গ্রামে নেমেছে শোকের ছায়া। পরিবার, স্বজন ও গ্রামের মানুষরা দুঃখে অভিভূত। নিহত সবুজ মিয়া ছিলেন মহদিপুর ইউনিয়নের ছোট ভগবানপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ও ছকিনা বেগমের ছেলে। মাত্র দুই বছর বয়সে বাবাকে হারিয়ে দরিদ্র পরিবেশে বেড়ে ওঠেন তিনি। একসময়ের সেই অভাব অনটন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি নিজের জীবন গড়ে তুলেছিলেন। গত ৭ নভেম্বর, এক মাস সাত দিন আগে, সবুজ মিয়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য সুদানে যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অসামরিক লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মৃত্যুর খবরে তার মা ছকিনা বেগম এবং স্ত্রী নুপুর আক্তার বারবার শোকাহত হয়ে অচেতন হয়ে যাচ্ছিলেন। স্ত্রীর কান্নাজড়িত কণ্ঠে একবার ফোনে সংক্ষিপ্ত কথোপকথনের স্মৃতি তুলে ধরেন, “সুদানে যাওয়ার পর গত শনিবার বিকেলে কয়েক মিনিটের জন্য কথা হয়েছিল। রাত ১২টার দিকে হঠাৎ খবর পাই—ও আর নেই।” মায়ের কাঁদতে কাঁদতে বলার মতো ছিল, “আমার একমাত্র বুকের ধন ছিল সে। এখন যেদিনের খোঁজ নিবে সে কে? ওর বাবার লাশ চাই। বাড়িতে আসলে হয়তো তার আত্মা শান্তি পাবে।” গ্রামের মানুষদের জন্য সবুজ ছিলেন উদার, পরিশ্রমী এবং দায়িত্বশীল যুবক। তিনি ছিলেন পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর অকালমৃত্যুর ফলে পরিবার এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। পারিবারিক সূত্র জানায়, সবুজ ছিলেন দুই ভাইবোনের ছোট। বড় বোনের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় মা ও স্ত্রীকে নিয়েই তিনি বাড়িতে থাকতেন। তিনি ২০২৩ সালের ৭ মার্চ নাটোর জেলার নুপুর আক্তারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবনে এখনও সন্তান ছিল না। সবুজ মিয়া প্রায় ১১ বছর আগে প্রতিবেশী এক চাচার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অসামরিক ধুপি হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি লন্ড্রি কর্মচারীর পদে উন্নীত হন। তিন মাস আগে ছুটিতে বাড়ি এসে আবার কর্মস্থলে যোগ দেন। পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ জানান, নিহতের পরিবারকে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হবে এবং খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, সুদানের আবেই অঞ্চলের কাদুগলি লজিস্টিক বেসে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ড্রোন হামলায় ছয়জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হন। নিহতের তথ্য সংক্ষিপ্ত টেবিলে: বিষয় তথ্য নাম মোঃ সবুজ মিয়া জন্মস্থান পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা মাতাপিতা হাবিবুর রহমান (পিতা), ছকিনা বেগম…
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল টঙ্গীতে আবারও ভয়াবহ সশস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, যা নগর নিরাপত্তা ও মোবাইল ব্যাংকিং খাতে কর্মরতদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন…
রাজধানীর রমনা থানাধীন মালিবাগ এলাকায় অবস্থিত ‘আলোকিত ইনসান’ নামের একটি রিহ্যাব সেন্টারে ঘটে যাওয়া মারামারির ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন।…