খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৪
আপন চৌধুরী-দৌলতপুর ॥ দৌলতপুরের খলিশাকুন্ডি গ্রামের অধিবাসী মন্টু ড্রাইভারের বিবাহিত কন্যা মুন্নি (১৮) এর মৃত্যু নিয়ে দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা। আনুমানিক ৩ (তিন) মাস পুর্বে মুন্নির বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী মিরপুর উপজেলার কালিনাথপুর গ্রামের আমিরুলের ছেলে সাইফুল এর সাথে। সাইফুল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ভালভাবেই সংসার করে আসছিল। হঠাৎ গত সোমবার (২৯ জানুয়ারি) কালিনাথপুরের শ্বশুর বাড়ি থেকে দুপুর আনুমানিক ২টায় মোবাইল মারফত মন্টু তার মেয়ের মৃত্যু সংবাদ পায় এবং মেয়ের শ্বশুর বাড়ি কালিনাথপুরে ছুটে গিয়ে মেয়ের মরদেহ দেখতে পায় এবং জানতে পারে গালায় ফাঁস নিয়ে মারা গেছে মুন্নি। মিন্টু মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে কেউ কোন কিছু স্পষ্ট করে বলতে পারে নাই। সেই কারণেই মুন্নি বাবা মন্টু সহ পরিবারের লোকজন সন্দেহ করছে তাকে হয়তো ফাঁস দিয়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেয়ে ফেলেছে এবং আত্নহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করছে। তবে এলাকাবাসী সহ অনেকেই ধারণা করছে মুন্নির স্বামী সাউফুল এবং তার পরিবারের সদস্যরা যোগশাযসে মুন্নি হত্যা করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে মিরপুর থানার পুলিশ মুন্নির মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মরদেহের সুরতহাল শেষে মুন্নির পিতা লাশ বুঝে নিয়ে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান শেষে গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) খলিশাকুন্ডি কবরস্থানে জানাযা শেষে মুন্নির মরদেহ দাফন করে। এ ব্যাপারে মুন্নির বাবা মন্টু বাদি হয়ে মিরপুর থানায় একটি ইউউি মামলা করেন। যোগাযোগ করা হলে মিরপুর থানার এসআই মুস্তাক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মুন্নির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। জানতে চাইলে মিরপুর থানার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা হাবিবুল্লাহ বলেন, মুন্নি গলায় ফাঁস নিয়ে মারা গেছে। এই বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক পরবর্তি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।