খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 23শে মাঘ ১৪৩০ | ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | 1148 Dhu al-Hijjah 5

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিভিন্ন এলাকায় প্রেস থেকে ছাপা নকল ও পুরাতন ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে, বিভিন্ন ব্যান্ডের বিড়ির রমরমা ব্যাবসা চলছে দৌলতপুর উপজেলার সোনাই কুন্ডিগ্রাম থেকে ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায়, এ কারণে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সামান্ন কিছু শুল্ক দিয়ে শুল্ক বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের প্রতিমাসে মোটা অংকের মাসোয়ারা নিয়ে, বিড়ি কারখানা গুলো কে নকল ও পুরাতন ব্যান্ডরোল সহ কারখানা চালানোর সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে বলে একাধিক সূত্রে জানাগেছে। যার কারণে মাসে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানাগেছে দৌলতপুরে জনৈক শিল্পপতি তার সাব্বি বিড়ি, ইনতাজ বিড়ি ও জামান বিড়ির মালিকানা বিক্রি করে দেয় এলাকার গাছের দিয়াড় গ্রামে মোজাহার আলি ফকিরের ছেলে চামনাই স্কুলপাড়া এলাকার মজনু হাজীর কাছে , সে এই বিড়ি কারখানা আল্লারদর্গা থেকে স্থানান্তর করে আজো গ্রাম সোনাইকুন্ডি তাজপুরে নিয়ে গিয়ে নকল ও পুরাতন ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ বিড়ি প্রস্তুত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। শুল্ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আর্শিবাদ পুষ্ট ও সুদৃষ্ট থাকায় যত অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে,তাদের কোন বাঁধায় বাঁধা নয়। এছাড়া এলাকার, সোনাইকুন্ডি টলটলি পাড়া গ্রামে মালিকানা পরিবর্তন করে আমিরুল ইসলাম নামে একজন, স্টার বিড়ির কারখানা তৈরি করে নকল ও পুরাতন ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিড়ি প্রস্তুত করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছে, যার ফলে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছেন সরকার। এছাড়া কিছু অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ী আজিজ বিড়ি ও আকিজ বিড়ি, গ্রামের মধ্যে ঠিক একই ভাবে তৈরি করছে নিজ নিজ বাড়িতে। নকল বিড়ি করে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বাজারে ছেড়ে দিচ্ছে। প্রেস থেকে কাগজ ছাপায়ে আসল মালিকের তামাক ২ নম্বর পথে জোগাড় করে বিড়ি তৈরি করে বাজারে বিক্রি করছে, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে এ সব অসাধু ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে মজনু হাজীর আপন ভাই আলাউদ্দিন ও মাসুদ নিয়মিত নকল ও পুরাতন ব্যান্ডলের জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে আসলেও তারা প্রশাসনের ধরা ছোঁয়ার বাইরে,বর্তমানে অবৈধ টাকা কামায় করে সব ব্যবসায়ী কোটিপতি। গত ৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকার নকল বিড়ি ও নকল ব্যান্ডেলসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করলেও বর্তমানে বে-পরোয়া ভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছে সচেতন মহল।