খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এই দুই দিনে শাখা ভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রম, নগদ উত্তোলন এবং লেনদেন সম্পূর্ণরূপে স্থগিত থাকবে। তবে অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।
রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৫ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি ছুটির নির্দেশনা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জারি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই নির্দেশনা “ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১”-এর ৪৫ ধারার অধীনে জারি করা হয়েছে। দেশের কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা প্রেরণ করেছে।
সরকারি ছুটির কারণে ব্যাংক শাখাগুলি বন্ধ থাকলেও, জরুরি ও সীমিত পরিষেবা চালু রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বিশেষ করে কর সংক্রান্ত লেনদেন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং সরকারি সংস্থার আর্থিক লেনদেন পরিচালনার জন্য কিছু শাখা সীমিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
গ্রাহক এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানদের আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক বন্ধ থাকায় নগদ উত্তোলন, চেক ক্লিয়ারিং এবং শাখা ভিত্তিক অন্যান্য লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। তবে অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং ও এটিএম সুবিধা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।
নিম্নে ছুটির সময়সূচি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| তারিখ | দিন | ব্যাংক কার্যক্রম |
|---|---|---|
| ১১ ফেব্রুয়ারি | বুধবার | সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ |
| ১২ ফেব্রুয়ারি | বৃহস্পতিবার | সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ |
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এই দুই দিন ব্যাংকিং সেবা সীমিত থাকায় গ্রাহকরা নগদ লেনদেন এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক কার্যক্রম পূর্বেই সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি নেবেন। এছাড়া এই দুই দিনে কর আদায়, বেতন ও ঋণ পরিশোধের সময়সূচিতে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে।
ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ইতিমধ্যেই এই দুই দিনের ব্যাংক বন্ধ থাকার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইনে বিল পরিশোধ বা করের জন্য গ্রাহকরা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
ফলে, দেশের ব্যাংকিং খাতের প্রতিটি সংস্থা এবং গ্রাহক এই দুই দিনে লেনদেনে কোনো অসুবিধা এড়াতে আগাম প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হবেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, গ্রাহক সচেতনতা এবং শাখা ভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দুই দিনের সরকারি ছুটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে।