খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
কুমিল্লার মুরাদনগর উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে কায়কোবাদ বাহিনীর সঙ্গে হামলা, ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এরমধ্যে একজন ইউপি সদস্যও রয়েছেন।
বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরে এ হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সদরের আল্লাহ চত্বরে আসিফ মাহমুদের সমর্থকরা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সমাবেশে জমায়েত হন। এ সময় সমাবেশ লক্ষ করে পার্শ্ববর্তী জেলা পরিষদের মার্কেট থেকে বেশ কয়েকটি ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। এরপরই দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে আসিফ মাহমুদের সমর্থক ও এনসিপির ৫০ জন সমর্থক আহত হন।
আহত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য শেখর বলেন, ‘আমরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে আল্লাহ চত্বরে এসে সমাবেশ শুরু করার পরপরই আমাদের লক্ষ করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। এ সময় আমাকে মারধর করা হয়। এতে আমার মাথা ফেটে যায়।’
মিছিল নিয়ে আসা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মিনাজুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। মিছিল নিয়ে আসার পর শত শত ইট-পাটকেল ছুড়ে আমাদেরকে ধাওয়া দিতে থাকে। এ সময় প্রায় অর্ধ শতাধিক সমর্থক আহত হন। এছাড়া ইউপি সদস্যর অবস্থা গুরুতর।’
এদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ‘আসিফ মাহমুদের নির্দেশে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি চলছিল তাদের। এসময় এনসিপির লোকজনই অতর্কিত হামলা চালালে সংঘাত বাধে।’
কুমিল্লার মুরাদনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিন কাদের খান বলেন, ‘মুরাদনগর সদরে এনসিপির সমর্থনে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চলছিল। এ সময় পাশে অবস্থান করা কিছু মানুষ বিনা উস্কানিতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এরপরে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এতে এনসিপির অর্ধ শতাধিক সমর্থক আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যবস্থা নেয়।বিষয়টি তদন্ত করা হবে। এ হামলার ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
খবরওয়ালা/এসআর