খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রাক্কালে দেশের মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরির চলাচল আগামী সাত দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করেছে। এই নিয়ম ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বিআরটিএ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করা। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, পচনশীল দ্রব্য, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সার ও জ্বালানি পরিবহনকারী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের দুই পাশে কোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং সড়কে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের হটলাইন নম্বর ১৬১০৭-এ বা মুঠোফোন নম্বর ০১৫৫০০৫১৬০৬ ও ০১৫৫০০৫৬৫৭৭-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, ১২ মার্চ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতেও একই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছিল। এতে উল্লেখ ছিল, ঈদ যাত্রায় ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত সহজ করতে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরির চলাচল বন্ধ থাকবে।
নির্দেশনার মূল বিষয়গুলো সংক্ষেপে টেবিলে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| নিষিদ্ধ যানবাহন | ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি |
| নিষেধাজ্ঞার সময়কাল | ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ, ২০২৬ |
| ছাড়পত্র পাওয়া যানবাহন | নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, তৈরি পোশাক, ওষুধ, সার, জ্বালানি |
| পার্কিং নিষিদ্ধ এলাকা | গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের দুই পাশে |
| জরুরি যোগাযোগ | হটলাইন: ১৬১০৭, মুঠোফোন: ০১৫৫০০৫১৬০৬, ০১৫৫০০৫৬৫৭৭ |
| নির্দেশনার উৎস | বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ |
বিআরটিএ আরও জানিয়েছে, যারা এই সময়ে মহাসড়কে যাতায়াত করবেন, তাদের ধৈর্য ও সহযোগিতা অপরিহার্য। নিরাপদ ও সুষ্ঠু যাত্রা নিশ্চিত করতে সড়কচারীদের নির্দেশনা মানা প্রয়োজন। বিশেষ করে, যানজট এড়াতে মহাসড়কে অতিরিক্ত গতি না ব্যবহার করা এবং নিয়মিত সিগন্যাল ও চিহ্নিত সড়ক চিহ্ন মেনে চলা জরুরি।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এই সাতদিনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ঈদ যাত্রা ঘরমুখী মানুষের জন্য নিরাপদ, দ্রুত ও কম ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এছাড়া যানজট ও দুর্ঘটনা কমিয়ে দেশের প্রধান সড়কে যাত্রী চলাচলের মানোন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে।