খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুরসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সোমবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টায় খুলনা সদর থানায় মামলাটি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খুলনা মহানগর নেতা মো. নাইম হাওলাদার।
অভিযুক্তরা হলেন-গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুর, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এস কে রাশেদ, স্থানীয় নেতা মো. জনি ও যুব অধিকার পরিষদের খুলনা মহানগর শাখার নেতা মো. তাইজুল ইসলাম।
অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
জানা যায়, নগরীর শান্তিধাম মোড়ে পঞ্চবিথি ক্লাব দখলে করে গণধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর অফিসের সাইনবোর্ড টানানো হয়। সেখানে স্থানীয় জনগণকে আটকিয়ে রেখে জোর করে চাঁদা আদায়সহ নানা অসামাজিক কার্যক্রম চলে। এ বিষয়টি স্থানীয়রা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে। গেল ১৮ মার্চ রাতে ছাত্রনেতারা পঞ্চবিথী ক্লাবের সামনে গেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের সাথে গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।পরে সেনাবাহিনী ও সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ২০/২৫ জন আহত হয়। এ ঘটনায় ২০ মার্চ গণঅধিকার পরিষদের গণঅধিকার পরিষদের খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসমন্বয়ক ও খুলনা জেলা কমিটির সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পিসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
অন্যদিকে একই ঘটনায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল হক নূর, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলামসহ ২৯ নেতার বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় মামলা হয়। সোমবার রাত ৯টায় খুলনা থানায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সদস্য মো. নাঈম হাওলাদার বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
এছাড়া এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের আরো ৪ নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য শেখ সাকিব আহম্মেদ বাদী হয়ে খুলনা থানা এ মামলা করেন।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, দুই পক্ষেরই পৃথক ৩ মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খবরওয়ালা/এমবি