খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 15শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ২৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষের সঙ্গে সঙ্গে বাসে আগুন লেগে যায়। এ ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে আটকে যায় এবং সড়কের সঙ্গে ঘষা খেয়ে sparks সৃষ্ট হয়। sparks থেকে বাসের একটি অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত খবর দিলে ভোগড়া মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্টেশন অফিসার হিরন মিয়া জানান, “দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বোর্ডবাজারের প্রধান সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।”
অভিযানকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বাসের ভেতরে আটকে থাকা যাত্রীদের নিরাপদে উদ্ধার করেন। আহত ব্যক্তি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাসটি তৎক্ষণাৎ আগুন নেভানোর চেষ্টা করা না হলে পুরো বাসটিই পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।
ঘটনার প্রাথমিক কারণ হিসেবে জানা গেছে, মোটরসাইকেল চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং সড়কের সঙ্কীর্ণ স্থান ছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বিষয়ে আরও তদন্ত চালাচ্ছে।
নিম্নে ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য টেবিলে উপস্থাপন করা হলো:
| ঘটনা | বিবরণ |
|---|---|
| স্থান | বোর্ডবাজার, গাজীপুর সিটি করপোরেশন |
| সময় | সকাল ৭:৪০ মিনিট, শুক্রবার |
| যানবাহন | বাস (টাঙ্গাইল-ঢাকা), মোটরসাইকেল |
| আহত | ১ জন |
| ফায়ার সার্ভিসের সময় | প্রায় ৪৫ মিনিট |
| উদ্ধার কার্যক্রম | ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা |
| যান চলাচল প্রভাব | ক্ষণিকের জন্য ব্যাহত, পরে স্বাভাবিক হয় |
স্থানীয়রা জানায়, বাসে আগুন লাগার পর যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে নেমে আসে এবং সহায়তার জন্য চিৎকার শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ দ্রুত পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এই দুর্ঘটনা বোর্ডবাজার এলাকায় যানজটের কারণে সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্ব আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নিয়মিত যানবাহনের অবস্থা যাচাই ও সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব।