খবরওয়ালা বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
নবাব পরিবারে জন্ম, হাতে ছিল বিদেশি ব্যাংকের চাকরি। সেই চাকরিজীবনের সীমাবদ্ধতা ও বাড়ি ভাড়ার চাপ থেকে মুক্ত হতে অভিনেত্রী সোহা আলী খান বেছে নেন অভিনয়ের পথ, যা তার জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোহা তার জীবনের সেই অজানা অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ব্যাংকে চাকরি করে বছরে তার আয় ছিল ২ লাখ ২০ হাজার রুপি, যার মধ্যে ২ লাখ ২ হাজার রুপিই চলে যেত বাড়ি ভাড়া হিসেবে। প্রায় সবটাই খরচ হয়ে যেত, তবুও তিনি নিজের উপার্জনে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চেয়েছিলেন।
সোহা বলেন, “আমি স্বাধীন জীবন চেয়েছিলাম। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে চেয়েছিলাম। আমি জানতাম, প্রয়োজনে মা-বাবার ওপর নির্ভর করতে পারব। সেই আত্মবিশ্বাসই আমাকে সিনেমায় আসার সাহস দিয়েছে।”
তার জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন তিনি এক বছরের জন্য ৫ লাখ রুপির একটি মডেলিং চুক্তি পান। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, প্রতিদিন অফিসে খেটে যে আয় করতেন, সেই পরিমাণ টাকা তিনি এক দিনেই উপার্জন করতে পারেন। এরপরই তিনি বলিউডে তার প্রথম সিনেমা ‘দিল মাঙ্গে মোর’-এর প্রস্তাব পান, যার পারিশ্রমিক ছিল ১০ লাখ রুপি।
এ বিষয়ে সোহা আলী খান বলেন, “আমাকে ১০ লাখ রুপি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল বিশাল অঙ্ক। তখন ভাবলাম, এটা তো করতেই হবে, বাকিটা পরে ভাবব।”
এরপর তিনি ‘রং দে বাসন্তী’, ‘আহিস্তা আহিস্তা’, ‘তুম মিলে’সহ একাধিক হিট সিনেমায় অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা সিনেমা ‘অন্তরমহল’-এও তিনি অভিনয় করেছিলেন।
এভাবেই চাকরিজীবনের চাপে বন্দি সোহা আলী খানের জীবন বলিউডের রঙিন অধ্যায়ে রূপ নেয়।
খবরওয়ালা/টিএসএন