খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 2শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১৭ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
এদেশের আধুনিক গান ও চলচ্চিত্রে হৃদয় ছোঁয়া সুর উপহার দিয়ে যেসব সঙ্গীতজ্ঞ বাংলা সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন, খন্দকার নূরুল আলম তাঁদের অন্যতম। তিনি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত খ্যাতিমান সুরকার ও গায়ক।
জীবনের শেষ কয়েক বছর নিভৃতেই কাটিয়েছিলেন তিনি। থাকতেন ধানমণ্ডির ১৫ নম্বরের পৈত্রিক বাড়িতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে।
১৯৭৬ সালে তিনি চট্টগ্রামের কিশওয়ার সুলতানার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
জন্ম ও শৈশব
খন্দকার নূরুল আলম জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালের ১৭ আগস্ট, আসামের ধুবড়িতে।
পিতা নেসারউদ্দিন খন্দকার ছিলেন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং মাতা ফাতেমা খাতুন। তিনি ছিলেন তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান। মাত্র ১২ বছর বয়সে ১৯৪৮ সালে মাকে হারান। একই বছরে পুরো পরিবার বর্তমান বাংলাদেশে চলে আসে।
সঙ্গীতজীবনের শুরু
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে ১৯৫৯ সালে বেতারের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। ১৯৬০ সালে ‘হিজ মাস্টারস ভয়েস’ গ্রামোফোন কোম্পানিতে সুরকার হিসেবে যোগ দেন। বিটিভির জন্মলগ্ন থেকেই তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটে উর্দু ছবি ইস ধরতি পার এর মাধ্যমে।
১৯৬৮ সালে বাংলা চলচ্চিত্র অন্তরঙ্গ ও যে আগুনে পুড়ি তে সঙ্গীত পরিচালনা করেন। সে সময় যে আগুনে পুড়ি ছবির গান “চোখ যে মনের কথা বলে” এবং অন্তরঙ্গ ছবির গান “ভুল যদি হয় মধুর এমন হোক না ভুল” বিপুল জনপ্রিয়তা পায়।
সাফল্য ও অবদান
এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। স্বাধীনতার পর তিনি ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
পরবর্তীতে তিনি অসংখ্য কালজয়ী ছবিতে সুর ও কণ্ঠ দিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র:
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
বাংলা সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন—
২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি খন্দকার নূরুল আলম পরলোকগমন করেন।
বাংলা সঙ্গীতজগতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আাজ এই দিনে উনার প্রতি অতল ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি
খবরওয়ালা/এন