খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের আসন্ন বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে ঢাকায় আগের দিন এসে কাল রাতে ফিরে গেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (NZC) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস।
প্রতিনিধিদলটি মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের ভেন্যুগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে তারা মাঠ ও অনুশীলন সুবিধা, আবাসন ব্যবস্থা, স্টেডিয়ামে যাতায়াতের পথ এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশদ পর্যবেক্ষণ করেছেন। আন্তর্জাতিক সিরিজের আগে সফরকারী দলের প্রতিনিধি বা নিরাপত্তা দল সাধারণত এই ধরনের প্রস্তুতি ও পরিদর্শন করে থাকে।
বিসিবি ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনায় সিরিজের সম্ভাব্য সূচি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ড দল ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে পৌঁছাবে এবং সফরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। সিরিজের সব ম্যাচ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে।
| ম্যাচ | তারিখ | স্থান | সময় (স্থানীয়) |
|---|---|---|---|
| ১ম | ১৭ এপ্রিল | মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম | বিকেল ৩টা |
| ২য় | ২০ এপ্রিল | মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম | বিকেল ৩টা |
| ৩য় | ২৩ এপ্রিল | মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম | বিকেল ৩টা |
নিউজিল্যান্ড দলের সফরের প্রথম দিকে ওয়ানডে সিরিজে নজরকাড়া খেলোয়াড়দের উপস্থিতি ও বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি হবে প্রধান আলোচনার বিষয়। বিসিবি বলেছে, বর্তমান সময়ের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ভেন্যুগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডের উপযোগী।
এছাড়াও, দুই বোর্ডের আলোচনায় নিরাপত্তা ও দর্শক সুবিধা সংক্রান্ত নানা বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে NZC প্রতিনিধি দল দুই দেশের ক্রিকেট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিশ্র আলোচনায় সিরিজ আয়োজন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে নিশ্চিত হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের সফর বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ, কারণ পাকিস্তানের পর এবার দ্বিতীয় বড় আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে। এই সিরিজ বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেকে প্রমাণের সুযোগ করে দেবে।
এভাবে, বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে, যা দুই দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।