খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম তার ফেসবুক পোস্টের একটি অংশে পরিবর্তন এনেছেন।
সোমবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ৫১ মিনিটে দেওয়া পোস্টে দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্র নিয়ে কিছু মন্তব্য করলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সেই অংশে এডিট করেন তিনি।
প্রথম পোস্টে তিনি লেখেন, “আজকাল অনেকের লেজ কাটা যাচ্ছে বলে, আমার বিরুদ্ধে লেগেছেন। নতুন একটি দলের কয়েকজন মহারথী এতে জড়িত… একটা সার্কেলে প্রায় সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত, কিন্তু একজন কোনো টাকা ধরছেন না, এটা কার সহ্য হবে!”
ভোর ৪টা ২৮ মিনিটে পোস্টটি এডিট করে তিনি লেখেন, “আজকাল অনেকের লেজ কাটা যাচ্ছে বলে, আমার বিরুদ্ধে লেগেছেন। বিভিন্ন দলের কয়েকজন মহারথী এতে জড়িত। সব ষড়যন্ত্রই প্রকাশ পাবে।” তবে দুর্নীতির সরাসরি ইঙ্গিত থাকা অংশটি আর রাখেননি।
প্রথম পোস্টে মাহফুজ আলম একটি তদবির চেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিটিভির একটি টেন্ডারের মাধ্যমে পার্সেন্টেজের প্রস্তাব দেওয়া হলে তা তিনি নাকচ করেন। সেই ঘটনার কথোপকথন রেকর্ড করে একজন ব্যক্তি তা একজন সাংবাদিকের কাছে পাঠান, কিন্তু সেটি আর প্রকাশিত হয়নি।
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, “আমার নিকৃষ্ট শত্রুরাও গত ১২ মাসে আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেনি। রাষ্ট্রের দায়িত্ব পবিত্র আমানত।”
সংশোধিত পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন, “কয়েকটা বাক্য নিয়ে অযথাই জল ঘোলা হচ্ছে, তাই এডিট করে দিলাম… একটা না, কয়েকটা দলের মহারথীরাই আমার/আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।”
এ পোস্টটি তিনি তার ভাই মাহবুব আলমের দেওয়া ‘মিথ্যা অভিযোগের জবাব!!’ শিরোনামের একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করে দেন।
মাহবুব আলম তার পোস্টে বলেন, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে তার বিরুদ্ধে আর্থিক অস্বচ্ছতার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি নিজের অ্যাকাউন্ট বিবরণ দিয়ে জানান, তদবিরের কোনো কাজ তিনি করেননি এবং মাহফুজ আলমও কোনো সময় তদবির করতে দেননি।
তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারের সব ব্যবসা আইনসম্মত ও পাবলিক ইনফরমেশনভুক্ত। শেষাংশে তিনি বনি আমিন নামের এক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে বলেন এবং জানান, প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খবরওয়ালা/আশ