খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: 24শে আষাঢ় ১৪৩২ | ৮ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মবতন্ত্রকে রাষ্ট্র পাহারা দিচ্ছে। রাষ্ট্র তাদের (মবকারী) বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে তারাই বলে সাংবাদিকদের তালিকা করো, শিল্পীদের তালিকা করো। এভাবে হুমকি ও চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কলামিস্ট ও সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ করেন তিনি।
আনিস আলমগীর বলেন, ডিজিটাল মবের মাধ্যমে তিনজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আরও ২০০ জন সাংবাদিককে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
স্বৈরাচারের দোসর বলে আখ্যায়িত করে এসব করা হয়েছে। উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আগে একবার বলেছিলেন, তার বিরুদ্ধেও ডিজিটাল মব হয়েছে। তিনি ডিজিটাল মবের উপলব্ধি করছেন। মাহফুজ আলম বলেছিলেন, আমরা মবকে আশকারা দেব না।
মব কিন্তু আশকারা পাচ্ছে। আমরা যদি মবের কাছে আত্মসমর্পণ করি, এদের আশকারা দিই, তাহলে ২৪-এর আন্দোলনের কোনো মাহাত্ম্য থাকে না।
তিনি আরও বলেন, এখন যে কাউকেই স্বৈরাচারের দোসর বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যারা প্রকৃতপক্ষেই স্বৈরাচারের দোসর, তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদেশে গিয়ে মজা-মাস্তি করছে। এখানে অসহায় লোকদের ধরে বলছে— স্বৈরাচারের দোসর, শেখ হাসিনাকে প্রতিষ্ঠিত করছে।
জুলাইয়ের আন্দোলনের এত বড় ত্যাগ, এখন পুরোটাই কোথায় চলে গেল? প্রথমে এলো স্বাধীনতা ২.০ নামে। যারা এ আন্দোলন করেছে, যারা বিজয়ী হয়েছে, তাদের দৃষ্টিতে এটা স্বাধীনতা। কিন্তু জামায়াত ন্যারেটিভে সেটা হলো— একাত্তর বলে কিছু নেই। আমরা নতুন করে একটা স্বাধীনতা পেয়েছি। আগের স্বাধীনতার যে স্থপতি ছিলেন, তার মূর্তি ভাঙো, তার বাড়ি ভাঙো। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তারা স্বাধীনতার পক্ষের আরেকটা দলের বিরুদ্ধে নেমেছে।
খবরওয়ালা/এমইউ