খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে গারো স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ তাঁর এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার ধারা আশ্রমপাড়া এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত আবুল বাশারকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে জুগলি ইউনিয়নের নয়াপাগা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার হন তাঁর সহযোগী মিলন মিয়া (২১)।
গ্রেপ্তার আবুল ও মিলন উপজেলার জুগলি ইউনিয়নের নয়াপাগা গ্রামের বাসিন্দা, পেশায় অটোরিকশাচালক। মঙ্গলবার রাতে মূল আবুল বাশার ও মিলন মিয়ার বিরুদ্ধে হালুয়াঘাট থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর মা।
পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ওই কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী (১৫) নবম শ্রেণিতে পড়ে। গত সোমবার দুপুরে মিলন মিয়ার (২১) সঙ্গে সে একটি পার্কে বেড়াতে যায়। বিকেলের দিকে সেখান থেকে বাড়ি পৌঁছে দিতে কিশোরীটিকে বাশারের অটোরিকশায় তুলে দেন মিলন। এ সময় বাশার হালুয়াঘাট উপজেলা শহরে পূজামণ্ডপ দেখানোর কথা বলে মেয়েটিকে নিয়ে ঘুরতে থাকেন। একপর্যায়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে স্কুলছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেন। এরপর রাত ১১টার দিকে গামারীতলা এলাকায় তাকে নামিয়ে দিয়ে অটোরিকশাচালক চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল রাতেই আবুল বাশারের (২৫) বাড়িতে অভিযান চালায়। তবে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ওই সময় অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারের পর মিলন জানিয়াছেন, মেয়েটি তাঁর বন্ধু। আজ মিলনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আবুলকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে।