খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুর গ্রামের শীলপাড়া সম্প্রতি এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সাক্ষী হয়। দুর্বৃত্তদের পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগে সুখ শীল ও অনিল শীল পরিবারের স্বপ্নের ঘর এক মুহূর্তে ছাই হয়ে যায়। শুধু ঘরই নয়, ধ্বংস হয়ে যায় আসবাবপত্র, সঞ্চয় ও পরিবারের মূল্যবান জিনিসপত্র। নিঃস্ব পরিবারগুলো আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে।
এই দুঃসময়ের মুহূর্তে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট রাউজান উপজেলা সভাপতি এবং বৃহত্তর সুন্নি জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ আল্লামা ইলিয়াস নূরী। ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে তিনি অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন, তাদের মানসিক সান্ত্বনা দেন এবং পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস দেন।
অধ্যক্ষ নূরী বলেন,
“মানুষ মানুষকে ভালোবাসলে সমাজে শান্তি ফিরে আসে। ধর্মের পরিচয় নয়—বিপদে পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত।”
তার এই মানবিক বার্তা এলাকাবাসীর মধ্যে ভিন্নধরনের প্রেরণা জাগিয়ে দেয়। তিনি মানুষকে সচেতন করেন যে, দুর্ঘটনার সময় একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই সমাজে প্রকৃত মানবিক ও সামাজিক দায়িত্বের পরিচায়ক।
| পদবি / সংগঠন | নাম |
| চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ইসলামী ফ্রন্ট সাংগঠনিক সম্পাদক | মুহাম্মদ ইছমাইল |
| যুবসেনা উত্তর জেলা সভাপতি | আলমগীর হোসাইন |
| যুবসেনা রাউজান দক্ষিণ সভাপতি | আমান উল্লাহ আমান |
| যুবসেনা রাউজান উত্তর সভাপতি | এম এ রাইহান |
| যুবনেতা | আব্দুস সাত্তার |
| যুবনেতা | নুরুল ইসলাম পারভেজ |
| ছাত্রসেনা রাউজান উত্তর সভাপতি | তাজুল ইসলাম আসিফ |
| ছাত্রনেতা | মুহাম্মদ আবু হাসান |
উপস্থিত নেতারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই মানবিক উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই এলাকার শিক্ষার্থী, যুবক এবং অন্যান্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়ে খাদ্য, জিনিসপত্র এবং সাময়িক আশ্রয় প্রদান করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের সময় সামাজিক সংহতি এবং একতার শক্তি অপরিসীম। রাউজানের এই ঘটনা তার প্রমাণ। বিপদের মুহূর্তে মানুষ যখন একত্রিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ায়, তখন অর্থিক, মানসিক এবং সামাজিক পুনর্বাসন দ্রুত সম্ভব হয়।
অধ্যক্ষ নূরীর মানবিক উদ্যোগ এবং স্থানীয় নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—দুর্যোগে সহমর্মিতা এবং সহযোগিতা ধর্ম ও সামাজিক সীমারেখা ছাড়িয়ে একে অপরকে একত্রিত করে।